স্নেহের শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় ‘”পরিশ্রম আর ইচ্ছাশক্তির জোরে এক সাধারণ মেয়ের অসাধারণ হয়ে ওঠার কাহিনী হল কোনি” _____গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো ।’
অথবা _____দারিদ্র ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোনির জীবন সংগ্রাম আলোচনা করো ।
অথবা ______ দারিদ্র আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোনির যে লড়াই তা সংক্ষেপে বর্ণনা করো ।
অথবা ______ দারিদ্র্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোনির লড়াই কেমন ছিল আলোচনা করো ।
অথবা _____ “ফাইট কোনি ফাইট” _____ এই কথাটি কোনির জীবনে কিভাবে কোনিকে অনুপ্রাণিত করেছে তা আলোচনা করো ।
অথবা _____ “ফাইট কোনি ফাইট” উক্তিটি কিভাবে উপন্যাসের মহামন্ত্র হয়ে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো ।
অথবা _____“ফাইট কোনি ফাইট” _____ সাধারণ সাঁতারু থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠতে গিয়ে কোনিকে কি ধরনের ‘ফাইট’ করতে হয়েছিল , তা নিজের ভাষায় লেখো ।
সুসাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস হলো দারিদ্র – বঞ্চনা আর ব্যর্থতার সোপান পেরিয়ে হতদরিদ্র কোনির সাফল্যের স্মারক ।
যেই বারুণীতে পূণ্যপিপাসু মানুষ গঙ্গার জলে ঝাঁপ দেয় পাপমুক্তির জন্য – কোনি সেদিন গঙ্গার জলে ঝাঁপ দিয়েছিল তার দারিদ্র্যের অভিশাপের সঙ্গে লড়াই করার জন্য । অভাবী সংসারে সামান্য সাহায্যের বাসনায় সে , বন্ধুদের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করে কাঁচা আম সংগ্রহ করেছিল । বাজারে সামান্য পয়সায় বিক্রি করেছিল সেই আম ।এভাবেই কোনি অভাবী শৈশবের অন্তরের মাটিতে লড়াইয়ের যে বীজ বপন করেছিল , অনেক ঝড় তুফান পেরিয়ে সেই বীজই হয়ে উঠেছিল সাফল্যের সঞ্জীবনী বৃক্ষ ।
দাদা কমলকে কোনি কথা দিয়েছিল , রবীন্দ্র সরোবরের সাঁতার প্রতিযোগিতায় সে চ্যাম্পিয়ন হবে । কিন্তু প্রশিক্ষণহীন কোনি কথা রাখতে পারেনি । সেই ব্যর্থতার আগুন তার অন্তরে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে । ক্ষিতীশ সিংহের জহুরী দৃষ্টি কোনির সুপ্ত প্রতিভাকে চিনে নিতে ভুল করেনি । তাইতো তিনি কোনিকে সাঁতারে প্রশিক্ষিত করার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন । পরাজিত কোনির ব্যর্থতা আর প্রতিহিংসার আগুনের পাখিটাকেই খাঁচায় বন্দী করে কোনিকে সেখান জীবনযুদ্ধে জয়ের মূলমন্ত্র – “ফাইট কোনি ফাইট” । কোনির জীবনের প্রতি বাঁকে , পদে পদে জড়িয়ে আছে বঞ্চনা । আর এই পাহাড় প্রমাণ প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধেই ছিল কোনির আজন্ম ফাইট ।
ক্ষিতীশ ভালোবাসার টানে জুপিটার সুইমিং ক্লাবে কোনিকে সাঁতার শেখানোর বাসনায় নিয়ে গেলেও মিথ্যা অজুহাতে সেখানে কোনিকে ভর্তি নেওয়া হয় না । এমনকি জুপিটারের বার্ষিক প্রতিযোগিতায়ও কোনিকে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি । সবশেষ প্রণবেন্দু বিশ্বাস নিজের যুক্তিক্রম সাজিয়ে বাংলা দলে কোনিকে ঠাঁই দিয়েছিলেন । কিন্তু মাদ্রাজের জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় জুপিটারের চক্রান্তকারীরা কোনিকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ পর্যন্ত করতে দেননি । হোটেলে বহুবার নানা অপমানে জর্জরিত করা হয়েছে কোনিকে । তবুও কোনির লড়াকু মনোভাব স্তব্ধ হয়নি । ভাগ্যের অদ্ভুত পরিহাস অমিয়ার অসুস্থতার কারণে ৪×১০০ মিটার রিলেতে সুযোগ পায় কোনি । জীবনের এই চরম সন্ধিক্ষণে কোনি শুনতে পায় তার গুরুর কণ্ঠস্বর – “ফাইট কোনি ফাইট ” । উজ্জীবিত কোনির আপ্রাণ লড়াইয়ে বাংলা চ্যাম্পিয়ন হয় । দরিদ্র বঞ্চনা ষড়যন্ত্রের চোরাস্রোত পেরিয়ে বিধাতার আশীর্বাদে কোনি গলায় পরে নেই বিজয়মাল্য ।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময় নিয়ে আর্টিকেলটা পড়ার জন্য । আপনার দিন শুভ হোক ।