প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় “Madhyamik History Suggestion 2026 | 2 Marks Important Questions”
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-1]
১. সামরিক ইতিহাস বলতে কী বোঝ?
👉 সামরিক ইতিহাস 🪖 বলতে যুদ্ধ, সেনা, অস্ত্রশস্ত্র ও কৌশলের বিকাশ সম্পর্কিত ইতিহাসকে বোঝায়। এটি কোনো জাতি বা রাষ্ট্রের শক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
—
২. ইতিহাসের উপাদানরূপে সংবাদপত্রের গুরুত্ব কী?
👉 সংবাদপত্র 📰 ইতিহাসের তথ্য, জনমত ও রাজনৈতিক ঘটনাবলি সংরক্ষণে বড় ভূমিকা রাখে। এটি সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করে।
—
৩. সমাজ সংস্কারে নব্যবঙ্গদের ভূমিকা কী ছিল?
👉 নব্যবঙ্গেরা ✨ শিক্ষা, নারী স্বাধীনতা ও সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণে উদ্যোগ নেন। তাদের প্রচেষ্টায় সমাজে নবজাগরণের হাওয়া বয়ে যায়।
—
৪. মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?
👉 মধুসূদন গুপ্ত 🧑⚕️ প্রথম ভারতীয় যিনি পাশ্চাত্য শৈলীতে মানবদেহ কেটে পড়াশোনা করেছিলেন। এজন্য তিনি আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষার পথিকৃৎ হিসেবে স্মরণীয়।
—
৫. ফরাজি আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণ কী ছিল?
👉 ফরাজি আন্দোলন ✊ কৃষকদের অধিকার রক্ষায় হলেও জমিদার ও ব্রিটিশদের বিরোধিতায় দুর্বল হয়ে পড়ে। নেতৃত্বের সীমাবদ্ধতা ও দমননীতির কারণেও এটি ব্যর্থ হয়।
—
৬. দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত এজেন্সি কেন গড়ে তোলা হয়েছিল?
👉 ১৯৫৪ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত এজেন্সি 🗺️ গঠিত হয় ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে। উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
—
৭. উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধকে ‘সভা সমিতির যুগ’ বলা হয় কেন?
👉 এই সময় নানা সভা-সমিতি 🏛️ গড়ে ওঠে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে সংগঠিত করার জন্য। তাই উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধকে ‘সভা সমিতির যুগ’ বলা হয়।
—
৮. ব্যঙ্গচিত্র কেন আঁকা হয়?
👉 ব্যঙ্গচিত্র 🎨 আঁকা হয় সমাজ, রাজনীতি ও মানুষের দুর্বলতাকে রসাত্মকভাবে তুলে ধরতে। এটি একদিকে বিনোদন, অন্যদিকে প্রতিবাদের মাধ্যম।
—
৯. জমিদার সভা ও ভারত সভার মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ।
👉 জমিদার সভা 🏠 ছিল জমিদারদের স্বার্থ রক্ষাকারী সংগঠন, আর ভারত সভা 🇮🇳 সাধারণ মানুষের জাতীয়তাবাদী দাবি নিয়ে কাজ করত।
👉 জমিদার সভার কাজ ছিল সীমিত, কিন্তু ভারত সভা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
—
১০. ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন?
👉 ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার 👨⚕️ ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চার অন্যতম অগ্রদূত। তিনি ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স (IACS) প্রতিষ্ঠা করেন।
—
১১. ‘একা’ আন্দোলন শুরু হয় কেন? এই আন্দোলনের একজন নেতার নাম লেখ।
👉 ‘একা আন্দোলন ✊’ শুরু হয় কৃষকদের জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে। এর একজন প্রধান নেতা ছিলেন মাদারি পাসি
—
১২. আল্লুরি সীতারাম রাজু কে ছিলেন?
👉 আল্লুরি সীতারাম রাজু 📖 ছিলেন একজন তেলুগু লেখক ও সমাজ সংস্কারক। তিনি সাহিত্য ও সামাজিক চিন্তাধারার মাধ্যমে নবজাগরণে ভূমিকা রাখেন।
—
১৩. ‘রশিদ আলি দিবস’ কেন পালিত হয়েছিল?
👉 ১৯৪৬ সালে রশিদ আলি দিবস 📅 পালিত হয় ব্রিটিশবিরোধী নেতাদের মুক্তির দাবিতে। এটি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অংশ ছিল।
—
১৪. ‘দীপালি সংঘ’ কেন প্রতিষ্ঠিত হয়?
👉 ‘দীপালি সংঘ 🌸’ প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলার নারী সমাজকে স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত করার জন্য। এটি নারীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগিয়ে তোলে।
—
১৫. গুরুচাঁদ ঠাকুর স্মরণীয় কেন?
👉 গুরুচাঁদ ঠাকুর 🙏 ছিলেন নমশূদ্র সমাজের অন্যতম নেতা। তিনি শিক্ষা, সংস্কার ও সমতার প্রচেষ্টার জন্য স্মরণীয়।
—
১৬. ‘রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন’ (১৯৫৩) কেন গঠিত হয়েছিল?
👉 ১৯৫৩ সালে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন 🏛️ গঠিত হয় ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের জন্য। এর সুপারিশে ১৯৫৬ সালে ভারতের রাজ্যসীমা পুনর্নির্ধারণ হয়।
—
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-2]
১. আত্মজীবনী কিভাবে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
✨ আত্মজীবনী হলো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সময়কালকে তুলে ধরার এক শক্তিশালী মাধ্যম। এটি ইতিহাসের প্রেক্ষাপট, সমাজের সমস্যা এবং সংস্কৃতির বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে। 📚
২. বাংলার নারী শিক্ষার বিকাশে রাধাকান্ত দেবের ভূমিকা কি ছিল?
👩🏫 রাধাকান্ত দেব নারী শিক্ষার প্রসারে সমর্থন করেছিলেন এবং মেয়েদের জন্য বিদ্যালয় স্থাপনে উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। তিনি নারী শিক্ষাকে সমাজ উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ হিসেবে দেখতেন। 🌸
৩. নব্যবঙ্গ গোষ্ঠী কাদের বলা হত?
🖋️ নব্যবঙ্গ গোষ্ঠী বলতে বোঝায় ১৯শ শতকের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কারক ও সাহিত্যিকদের, যারা সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক সংস্কার চালাতে চেষ্টা করেছিলেন।
৪. ব্রাহ্মসমাজের যেকোনো দুটি সমাজ সংস্কারমূলক কাজের উল্লেখ করো।
✅ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা।
✅ widows’ remarriage বা বিধবা পুনর্বিবাহ সমর্থন করা। 💍
৫. ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেট ব্যবহারের দুটি সুবিধা লেখো।
🌐 সহজে ও দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়।
📖 বিভিন্ন সূত্র থেকে বৈচিত্র্যময় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব।
৬. বে-এলাকা চাষ বলতে কী বোঝ।
🌾 বে-এলাকা চাষ হলো পাহাড়ি বা কম উন্নত জমিতে চাষাবাদ, যা মূলত সীমিত ফসল উৎপাদনের জন্য করা হয়।
৭. জেমস লঙ স্মরণীয় কেন?
📜 জেমস লঙ ছিলেন একজন ব্রিটিশ সাহিত্যিক ও গবেষক, যিনি বাংলা ও ভারতের ইতিহাস ও সাহিত্য নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা করেছিলেন।
৮. ‘সভা সমিতির যুগ’ বলতে কী বোঝ?
🏛️ ‘সভা সমিতির যুগ’ হলো এমন সময়কাল, যখন সমাজ সংস্কার ও শিক্ষার জন্য বিভিন্ন সভা, সমিতি ও সামাজিক সংস্থা গঠিত হয়েছিল।
৯. গভর্ণর জেনারেল ও ভাইসরয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
👑 গভর্ণর জেনারেল ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক প্রধান।
🇮🇳 ভাইসরয় ব্রিটিশ সম্রাটের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতের শাসন দেখতেন, মূলত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে ক্ষমতাবান।
১০. ‘ভারতমাতা’ চিত্রটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
🖼️ ‘ভারতমাতা’ চিত্র ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক, যা জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমের বার্তা দেয়। 💛🧡💚
১১. ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে দ্বিজ বলা হয় কেন?
✊ কমিউনিস্ট পার্টিকে দ্বিজ বলা হয় কারণ এটি দুইবার পুনর্গঠিত হয়েছিল এবং সমাজতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে।
১২. জাতীয় কংগ্রেস কবে, কোথায় পূর্ণ স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন?
📅 1929 সালে লাহোর কংগ্রেসে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয়েছিল। 🇮🇳
১৩. তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার কী?
🛡️ তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার হলো সেই সরকার যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে গোপনে বা ছদ্মভাবে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো।
১৪. তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?
🌾 তেভাগা আন্দোলনের নাম এসেছে “তিন ভাগ ফসলের” নীতি থেকে, যেখানে কৃষকরা মাত্র এক-তৃতীয়াংশ অংশ জমিদারের জন্য দিতে বাধ্য হতেন।
১৫. দেশীয় রাজ্য বলতে কী বোঝ?
🏰 দেশীয় রাজ্য হলো স্বাধীন বা স্বশাসিত রাজ্য যা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আংশিক নিয়ন্ত্রণে থাকত।
১৬. পত্তি শ্রীরামালু কে ছিলেন?
👨🎓 পত্তি শ্রীরামালু ছিলেন সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ, যিনি সমাজে শিক্ষা ও নৈতিকতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
—
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-3]
1️⃣ নতুন সামাজিক ইতিহাস চর্চার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? 🏛️
👉 নতুন সামাজিক ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
👉 পরিবার, সামাজিক সম্পর্ক, খাদ্যাভ্যাস, পেশা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা হয়।
👉 রাজা-বাদশাহ নয়, সাধারণ মানুষ ইতিহাসের মূল চরিত্র হয়।
👉 ফলে ইতিহাস আরও মানবিক ও বাস্তবমুখী হয়ে ওঠে।
—
2️⃣ ইতিহাসের উপাদান হিসাবে আত্মজীবনী গুরুত্বপূর্ণ কেন? ✍️
👉 আত্মজীবনী থেকে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ও সমাজের বাস্তব চিত্র জানা যায়।
👉 এটি ইতিহাসকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝার সুযোগ দেয়।
👉 শাসন, সংস্কৃতি ও সামাজিক অবস্থা বোঝাতে আত্মজীবনী সহায়ক।
👉 তাই ইতিহাস রচনার একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে আত্মজীবনী গুরুত্বপূর্ণ।
—
3️⃣ চার্লস উডের ডেসপ্যাচ কী? 📜
👉 ১৮৫৪ সালের চার্লস উডের ডেসপ্যাচ ছিল শিক্ষানীতি সম্পর্কিত সুপারিশ।
👉 এতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তার ও নারী শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়।
👉 আধুনিক বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছিল।
👉 এটি ভারতে ব্রিটিশ শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে।
—
4️⃣ সমাজ সংস্কারে নব্যবঙ্গদের ভূমিকা কী ছিল? 🎓
👉 নব্যবঙ্গ আন্দোলন শুরু হয়েছিল ডিরোজিওর নেতৃত্বে।
👉 তারা যুক্তি, বিজ্ঞান ও মানবতাবাদকে গুরুত্ব দেন।
👉 সতীদাহ বিলোপ, নারী শিক্ষা বিস্তার ও কুসংস্কার দূরীকরণে কাজ করেন।
👉 এর ফলে বাংলায় নবজাগরণের পথ তৈরি হয়।
—
5️⃣ সন্ন্যাসী ফকির বিদ্রোহের চরিত্র কেমন ছিল? ✊
👉 এ বিদ্রোহ মূলত গ্রামীণ সমাজের প্রতিরোধ আন্দোলন ছিল।
👉 সন্ন্যাসী ও ফকিররা কৃষক শ্রেণিকে নেতৃত্ব দেন।
👉 জমিদার ও ইংরেজদের শোষণের বিরুদ্ধে তারা রুখে দাঁড়ান।
👉 এটি ভারতের প্রথম কৃষক বিদ্রোহগুলোর একটি।
—
6️⃣ নীলচাষীরা কিভাবে তাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের প্রতিরোধ করত? 🌾
👉 নীলচাষীরা ইউরোপীয় নীলকরদের অত্যাচারের শিকার ছিল।
👉 তারা নীল চাষ করতে অস্বীকার করত।
👉 ধর্মঘট, গণআন্দোলন ও বিদ্রোহের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
👉 এর ফলে নীলচাষ শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়।
—
7️⃣ মহারাণীর ঘোষণাপত্রের (১৮৫৮) মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? 👑
👉 ১৮৫৮ সালের ঘোষণাপত্রে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
👉 ভারত সরাসরি ব্রিটিশ সিংহাসনের অধীনে আসে।
👉 রানি ভিক্টোরিয়া ভারতীয় প্রজাদের সমান ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন।
👉 এর মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের নতুন যুগ শুরু হয়।
—
8️⃣ ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসটি কীভাবে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে উদ্দীপ্ত করেছিল? 📚
👉 বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ জাতীয়তাবাদের বার্তা বহন করে।
👉 এতে সন্ন্যাসীদের সংগ্রামের চিত্র ফুটে ওঠে।
👉 ‘বন্দেমাতরম্’ গানটি এই উপন্যাস থেকে নেওয়া।
👉 এটি জাতীয় আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে।
—
9️⃣ ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন? 🧪
👉 তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী।
👉 চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।
👉 তিনি ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
👉 আধুনিক চিকিৎসা প্রচারে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয়।
—
🔟 বাংলা লাইনোটাইপ প্রবর্তনের গুরুত্ব কী? 📰
👉 বাংলা লাইনোটাইপ ছাপাখানার গতি বাড়ায়।
👉 এতে বই ও সংবাদপত্র দ্রুত ছাপা সম্ভব হয়।
👉 বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য প্রচারে সহায়ক হয়।
👉 এটি আধুনিক মুদ্রণশিল্পে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে।
—
1️⃣1️⃣ মাদারি পাশি কে ছিলেন? 🚜
👉 মাদারি পাশি ছিলেন একজন কৃষক নেতা।
👉 তিনি ১৯২০-এর দশকে উত্তর প্রদেশে নেতৃত্ব দেন।
👉 তাঁর নেতৃত্বে ‘একা আন্দোলন’ গড়ে ওঠে।
👉 জমিদার ও মহাজনের শোষণের বিরুদ্ধে কৃষকরা সংগঠিত হন।
—
1️⃣2️⃣ স্বামী বিবেকানন্দের লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো। 📖
👉 স্বামী বিবেকানন্দের লেখা দুটি বিখ্যাত বই হলো রাজযোগ ও কর্মযোগ।
👉 রাজযোগ গ্রন্থে যোগচর্চার আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা রয়েছে।
👉 কর্মযোগ-এ কর্ম ও কর্তব্যের গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে।
👉 এই বইগুলো আজও বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।
—
1️⃣3️⃣ মাতঙ্গিনী হাজরা স্মরণীয় কেন? 🚩
👉 তিনি ছিলেন ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের নেত্রী।
👉 তমলুকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে শহীদ হন।
👉 মৃত্যুর আগে তিনি “বন্দেমাতরম্” ধ্বনি উচ্চারণ করেন।
👉 তাঁর বীরত্ব ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
—
1️⃣4️⃣ ‘দেশবন্ধু’ এবং ‘দেশপ্রিয়’ নামে কারা পরিচিত ছিলেন? 🙌
👉 চিত্তরঞ্জন দাশকে বলা হয় ‘দেশবন্ধু’।
👉 তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ছিলেন।
👉 যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তকে বলা হয় ‘দেশপ্রিয়’।
👉 তিনি রাজনৈতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
—
1️⃣5️⃣ ভারতের স্বাধীনতা আইনে (১৯৪৭) কি বলা হয়েছে? 🗽
👉 এই আইনের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান পৃথক রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়।
👉 ব্রিটিশ সংসদ আইনটি পাশ করেছিল।
👉 উভয় দেশে পৃথক সংবিধান সভা গঠিত হয়।
👉 এটি ভারতের স্বাধীনতার সূচনা চিহ্নিত করে।
—
1️⃣6️⃣ দেশীয় রাজ্যগুলোর ভারত ভুক্তি দলিল বলতে কী বোঝায়? 📝
👉 স্বাধীনতার পর দেশীয় রাজ্যগুলোকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার প্রয়োজন হয়।
👉 এই জন্য ভুক্তি দলিল তৈরি করা হয়।
👉 দেশীয় রাজারা এতে স্বাক্ষর করে ভারতীয় ইউনিয়নে যোগ দেন।
👉 এর ফলে ভারত ভৌগোলিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়।
—
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-4]
১. নারী ইতিহাস চর্চার উদ্দেশ্য কী?
👉 নারী ইতিহাস চর্চার উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসে নারীর অবদান, সংগ্রাম ও ভূমিকা তুলে ধরা ✨।
👉 পূর্বে ইতিহাস মূলত পুরুষকেন্দ্রিক ছিল, তাই নারীর ভূমিকা উপেক্ষিত হয়েছিল 🚫।
👉 এই চর্চা প্রমাণ করে যে ইতিহাস নারী-পুরুষ উভয়ের সম্মিলিত অবদান 📖।
👉 ফলে সমাজে লিঙ্গসমতার ধারণা শক্তিশালী হয় 💪।
—
২. সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রের মধ্যে পার্থক্য
👉 সংবাদপত্র মূলত দৈনিক বা সাপ্তাহিক খবর প্রকাশ করে 📰।
👉 সাময়িক পত্র সাহিত্য, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও বিশ্লেষণধর্মী রচনা প্রকাশ করে 📚।
👉 সংবাদপত্র ক্ষণস্থায়ী তথ্য দেয়, সাময়িক পত্র দীর্ঘমেয়াদী জ্ঞানের উৎস ✍️।
👉 তাই সংবাদপত্র তথ্যপ্রবাহ আর সাময়িক পত্র জ্ঞানচর্চার বাহক ⚡।
—
৩. ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা কী ছিল?
👉 ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন শিক্ষিত শহুরে অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল 🎓।
👉 তারা পাশ্চাত্য যুক্তিকে প্রাধান্য দিলেও সাধারণ মানুষের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল 🚶।
👉 গ্রামীণ সমাজে এদের প্রভাব প্রায় ছিল না 🌾।
👉 ফলে আন্দোলনটি সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারেনি ❌।
—
৪. মানবতা জাগরণে শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের অবদান
👉 শ্রীরামকৃষ্ণ দেব ‘যত মত তত পথ’ ধারণা প্রচার করেন 🙏।
👉 তিনি সর্বধর্মের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দেন 🤝।
👉 ভক্তি ও প্রেমের মাধ্যমে মানবতার উন্নতির পথ দেখান ❤️।
👉 তাঁর শিক্ষা জাতীয় চেতনা ও মানবতাবাদে গভীর প্রভাব ফেলে 🌟।
—
৫. কেনারাম ও বেচারাম কী?
👉 কেনারাম ও বেচারাম বাস্তব ব্যক্তি নয়, প্রতীকী চরিত্র 👥।
👉 কেনারাম মানে শোষক শ্রেণি (জমিদার-মহাজন) 💰।
👉 বেচারাম মানে শোষিত কৃষক বা সাধারণ মানুষ 🌾।
👉 এ নাম দুটি শোষণ-অবিচারের প্রতীক হিসাবে ব্যবহৃত হতো ⚖️।
—
৬. ফরাজী আন্দোলন ব্যর্থ হয় কেন?
👉 ব্রিটিশ সরকারের দমননীতি আন্দোলনকে দুর্বল করে দেয় 🏴।
👉 জমিদার ও মৌলবিদের বিরোধিতাও বাধা হয়ে দাঁড়ায় 🚫।
👉 নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ ছিল এবং কৃষক সমাজে সীমিত প্রভাব ফেলে 👨🌾।
👉 তাই আন্দোলন সর্বস্তরে ছড়াতে পারেনি ❌।
—
৭. মধুসূদন গুপ্ত কীজন্য বিখ্যাত?
👉 মধুসূদন গুপ্ত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে প্রথম মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদ করেন 🧑⚕️।
👉 ১৮৩৬ সালে তাঁর এই পদক্ষেপ চিকিৎসাশাস্ত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে 🧬।
👉 ভারতীয় সমাজে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয় ⚡।
👉 এজন্য তাঁকে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের পথিকৃত বলা হয় 🌟।
—
৮. ব্যঙ্গচিত্র কেন আঁকা হয়?
👉 ব্যঙ্গচিত্র সমাজ ও রাজনীতির অন্যায় তুলে ধরে 🎨।
👉 হাস্যরসের মাধ্যমে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করা হয় 😅।
👉 দুর্নীতি, কুসংস্কার ও ভণ্ডামি প্রকাশ করা হয় ⚖️।
👉 এতে সাধারণ মানুষ সহজে জটিল বিষয় বুঝতে পারে 📢।
—
৯. সভাসমিতির যুগ বলতে কী বোঝায়?
👉 ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিভিন্ন সমাজ-সংস্কারমূলক সভা ও সমিতি গড়ে ওঠে 🏛️।
👉 ব্রাহ্ম সমাজ, বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা ইত্যাদি এর উদাহরণ 📖।
👉 এরা শিক্ষা, জাতীয়তাবাদ ও সংস্কার প্রচারে ভূমিকা রাখে ✍️।
👉 তাই এই সময়কে ‘সভাসমিতির যুগ’ বলা হয় 📢।
—
১০. শ্রীরামপুর ত্রয়ী কারা?
👉 শ্রীরামপুর ত্রয়ী ছিলেন উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ড ✨।
👉 তাঁরা বাংলা ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেন 📖।
👉 শ্রীরামপুরে ছাপাখানা, কলেজ ও পাঠ্যপুস্তক প্রবর্তন করেন 🏫।
👉 আধুনিক শিক্ষার প্রসারে তাঁদের ভূমিকা ছিল অসাধারণ 📚।
—
১১. বারদৌলী সত্যাগ্রহের গুরুত্ব কী ছিল?
👉 ১৯২৮ সালে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নেতৃত্বে এটি অনুষ্ঠিত হয় 🙌।
👉 জমির কর বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কৃষকদের অহিংস আন্দোলন ছিল এটি 🌾।
👉 আন্দোলন সফল হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার পিছু হটে ⚖️।
👉 এর পর প্যাটেলকে ‘সর্দার’ উপাধি দেওয়া হয় 👑।
—
১২. আনন্দমঠ উপন্যাস কীভাবে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে উদীপ্ত করেছিল?
👉 বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসে সন্তান দলের সংগ্রাম বর্ণিত হয়েছে ✍️।
👉 ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রাম দেশপ্রেম জাগ্রত করে 🇮🇳।
👉 “বন্দে মাতরম্” গান জাতীয় আন্দোলনের মন্ত্র হয়ে ওঠে 🎶।
👉 এটি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ভিত্তি মজবুত করে 💪।
—
১৩. বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নারীদের প্রকৃতি
👉 নারীরা ঘরে বসে থাকেননি, সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন 🙋♀️।
👉 তাঁরা বিলাতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশী পণ্য ব্যবহার করেন 🧵।
👉 সভা, বিক্ষোভ ও প্রচারেও অংশ নেন 📢।
👉 এতে নারীদের রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধি পায় 🌟।
—
১৪. রশিদ আলি দিবসের তাৎপর্য কী?
👉 ১৯৪৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রশিদ আলীর মুক্তির দাবিতে এই দিবস পালিত হয় 📅।
👉 তাঁর বিচার ও কারাদণ্ডের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে 🎓।
👉 কলকাতাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে 🌍।
👉 এটি স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল ✊।
—
১৫. উদ্বাস্তু কাদের বলে?
👉 উদ্বাস্তু হলেন যারা দেশভাগ, যুদ্ধ, দাঙ্গা বা দুর্যোগে গৃহহারা হন 🏚️।
👉 তাঁরা বাধ্য হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন 🛖।
👉 ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগে লক্ষ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হন 🇮🇳।
👉 তাঁদের জীবন ছিল দুঃখ ও অনিশ্চয়তায় ভরা 😔।
—
১৬. পত্তি শ্রীরামালু কে ছিলেন?
👉 পত্তি শ্রীরামালু ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ✊।
👉 তিনি তেলুগু ভাষাভাষীদের জন্য পৃথক রাজ্যের দাবিতে অনশন করেন 🍽️।
👉 ৫৬ দিন অনশনের পর মৃত্যুবরণ করেন 💔।
👉 তাঁর আত্মত্যাগে ১৯৫৩ সালে অন্ধ্র প্রদেশ গঠিত হয় 🏞️।
—
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-5]
১) ইতিহাসের উপাদান হিসেবে সংবাদপত্রের গুরুত্ব কী?
👉 সংবাদপত্র সমাজ, রাজনীতি ও আন্দোলনের নির্ভরযোগ্য দলিল 📰।
👉 এতে সময়কার ঘটনা, মতামত ও জনমতের প্রতিফলন ঘটে 📖।
👉 ইতিহাসবিদরা প্রাথমিক তথ্যসূত্র হিসেবে সংবাদপত্র ব্যবহার করেন ✍️।
👉 তাই ইতিহাস চর্চায় সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম 🌟।
—
২) ‘সরকারি নথিপত্র’ বলতে কী বোঝায়?
👉 সরকারি নথিপত্র হলো রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপের লিখিত দলিল 📜।
👉 যেমন– আইন, প্রশাসনিক রিপোর্ট, নীতি, চিঠিপত্র ইত্যাদি 🏛️।
👉 এগুলো থেকে সরকারের উদ্দেশ্য ও কার্যকলাপ জানা যায় 📖।
👉 ইতিহাসে এগুলো প্রমাণ্য তথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় ✅।
—
৩) মেকলে প্রতিবেদন কী?
👉 ১৮৩৫ সালে লর্ড মেকলে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন 🏛️।
👉 এর মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষাকে ভারতে প্রধান শিক্ষার মাধ্যম করা হয় 📚।
👉 পাশ্চাত্য জ্ঞান প্রচারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ✍️।
👉 ভারতীয় শিক্ষায় ইংরেজি আধিপত্য শুরু হয় এখান থেকেই ⚡।
—
৪) ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
👉 খ্রিস্টান মিশনারিদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মপ্রচার ✝️।
👉 পাশ্চাত্য শিক্ষা ছড়িয়ে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করা তাদের লক্ষ্য ছিল 📖।
👉 এরা ইংরেজি শিক্ষা ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ছিলেন 🏫।
👉 তবে এর ফলে আধুনিক শিক্ষার প্রসারও ঘটেছিল 🌟।
—
৫) কোল বিদ্রোহের দুটি কারণ উল্লেখ করো।
👉 জমিদার, মহাজন ও দালালদের শোষণ কোলদের ক্ষুব্ধ করে ⚖️।
👉 বনাঞ্চল ও জমির অধিকার হরণ বিদ্রোহের কারণ হয় 🌲।
👉 এ ছাড়া ব্রিটিশ রাজস্বনীতি কোল সমাজে অসন্তোষ সৃষ্টি করে 🏴।
👉 তাই ১৮৩১ সালে কোল বিদ্রোহ সংঘটিত হয় 🔥।
—
৬) তিতুমিরের সেনাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
👉 তিতুমিরের সেনাপতি ছিলেন গুলাম মাসুম ⚔️।
👉 তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন গাউস মোহাম্মদ 📖।
👉 তাঁরা কৃষক বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন 💪।
👉 এর মাধ্যমে মুসলিম কৃষকদের সংগ্রাম সংগঠিত হয় 🌾।
—
৭) ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস কীভাবে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে উদ্দীপ্ত করেছিল?
👉 বঙ্কিমচন্দ্রের এই উপন্যাসে সন্তান দলের সংগ্রাম ফুটে ওঠে ✍️।
👉 দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা জাগ্রত হয় 🇮🇳।
👉 “বন্দে মাতরম্” গানটি আন্দোলনের মূলমন্ত্র হয়ে ওঠে 🎶।
👉 ফলে এটি জাতীয়তাবাদী ভাবধারার উন্মেষ ঘটায় 🌟।
—
৮) ‘ল্যান্ডহোল্ডার্স সোসাইটি’ কী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়?
👉 ১৮৩৮ সালে জমিদারদের স্বার্থরক্ষার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় 🏛️।
👉 ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি আদায়ের জন্য এই সংগঠন গড়ে ওঠে 📜।
👉 এটি ছিল ভারতের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন ⚡।
👉 পরবর্তীতে জাতীয় আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে 🇮🇳।
—
৯) সি.ভি.রমণ বিখ্যাত কেন?
👉 সি.ভি. রমণ ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী 🔬।
👉 তিনি আলোক বিচ্ছুরণ সম্পর্কিত “রমণ প্রভাব” আবিষ্কার করেন 💡।
👉 এজন্য ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান 🏆।
👉 তাঁর অবদান ভারতীয় বিজ্ঞানকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করে 🌍।
—
১০) বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল?
👉 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন 🎓।
👉 উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব ও পশ্চিমের জ্ঞানের সমন্বয় 🌏।
👉 এটি শান্তিনিকেতনে আন্তর্জাতিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে 🏫।
👉 আজও এটি বিশ্বমানবতার প্রতীক 🌟।
—
১১) বারদৌলি সত্যাগ্রহ আন্দোলন কেন শুরু হয়?
👉 ১৯২৮ সালে জমির কর বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কৃষকরা প্রতিবাদ করেন 🌾।
👉 সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয় ✊।
👉 এটি অহিংস আন্দোলনের সফল দৃষ্টান্ত ছিল ✅।
👉 পরবর্তীতে প্যাটেলকে ‘সর্দার’ উপাধি দেওয়া হয় 👑।
—
১২) বিশের দশকে বোম্বাইয়ের দুটি শ্রমিক সংগঠনের নাম লেখো!
👉 (১) অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস (AITUC) 🏭।
👉 (২) গিরনি কামগার ইউনিয়ন (GKU) ✊।
👉 এরা শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ⚖️।
👉 শ্রমিক আন্দোলনের বিকাশে এগুলো পথিকৃত 🌟।
—
১৩) অ্যান্টি সার্কুলার সোসাইটি কেন স্থাপিত হয়?
👉 ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় বিপ্লবীদের উপর দমননীতি চলে 🚫।
👉 ১৯০৯ সালে ব্রিটিশ সরকারের সার্কুলারের প্রতিবাদে এই সংগঠন গঠিত হয় 📜।
👉 উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র আন্দোলন ও স্বাধীনতার চেতনা রক্ষা করা 🎓।
👉 তাই এটি জাতীয় আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ✊।
—
১৪) রশিদ আলি দিবস কেন পালিত হয়েছিল?
👉 ১৯৪৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন রশিদ আলীর মুক্তির দাবিতে দিবস পালিত হয় 📅।
👉 তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজের সৈনিক ছিলেন ⚔️।
👉 তাঁর বিচার ও শাস্তির প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলন হয় 🎓।
👉 এটি স্বাধীনতা সংগ্রামে নতুন উদ্দীপনা আনে ✊।
—
১৫) ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠন কমিশনের কারা সদস্য ছিলেন?
👉 ১৯৫৩ সালে ফজল আলি কমিশন গঠিত হয় 🏛️।
👉 সদস্য ছিলেন ফজল আলি (সভাপতি), কে.এম. পানিক্কার ও এইচ.এন. কুঞ্জর 📖।
👉 তাঁদের সুপারিশে ভাষাভিত্তিক রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয় 🌏।
👉 পরবর্তীতে ভারতবর্ষে নতুন রাজ্যের সৃষ্টি হয় 🗺️।
—
১৬) ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কেন নেহেরু-লিয়াকৎ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
👉 ভারত-পাকিস্তান বিভাজনের পর হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা চলছিল 🔥।
👉 সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার জন্য চুক্তি হয় ✍️।
👉 উভয় দেশ সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় 🤝।
👉 তাই ১৯৫০ সালে নেহেরু-লিয়াকৎ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় 📜।
—
দুটি অথবা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ[Set-6]
১) ব্রাহ্মিকা পদ্ধতি কী?
👉 ব্রাহ্মি হলো প্রাচীন ভারতের লিপি পরিবার ✍️ যা মৌর্য যুগে (খ্রিঃপূঃ ৩য় শতক) অসোকের শিলালিপিতে পাওয়া যায়।
👉 এখান থেকেই বাংলা, হিন্দি-দেওনাগরী, অসমীয়া, গুজরাটি সহ বহু লিপির জন্ম হয়েছে 📜।
👉 আধুনিক দক্ষিণ এশিয়ার লেখার ইতিহাস বুঝতে এর ভূমিকা অপরিসীম 🪶।
—
২) ‘পথের পাঁচালি’র শুভ মুক্তি কবে ঘটে এবং এর গীতিকার কে ছিলেন?
👉 সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিস 🎬 পথের পাঁচালি মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালে।
👉 ছবিতে আলাদা গান নেই, বরং অসাধারণ আবহসংগীত 🎻 তৈরি করেছিলেন পণ্ডিত রবি শংকর।
👉 এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরই ছবির প্রাণ হয়ে ওঠে।
—
৩) ‘তিন আইন’ কী?
👉 ইতিহাসে যেটা “তিন আইন” নামে প্রচলিত, আসলে আলাদা তিনটি আইন নয় ⚖️।
👉 ১৮৭২ সালে বিশেষ বিবাহ আইন পাস হয়, আর বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ রোধে আলাদা সংশোধন আসে পরের দিকে 📚।
👉 তাই একে “তিন আইন” বলা ভুল; আসলে এটি ধারাবাহিক আইন সংশোধনের ফলাফল।
—
৪) কবে পটলডাঙা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়? এর বর্তমান নাম কী?
👉 ১৯শ শতকের শেষভাগে প্রতিষ্ঠিত হয় পটলডাঙা একাডেমি 🎓।
👉 পরে এটি বিদ্যাসাগর কলেজ নামে পরিচিতি পায় 🏫।
👉 আজও এটি শিক্ষার একটি ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র।
—
৫) রানি শিরোমনি কে ছিলেন?
👉 রানি শিরোমনি ছিলেন মেদিনীপুরের জমিদার ও আঞ্চলিক নেত্রী 👑।
👉 তিনি চুয়াড় বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন 🔥।
👉 স্থানীয় প্রতিরোধ আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অনন্য।
—
৬) কে, কাদের বাউল বা পাগলপন্থী ধর্মে দীক্ষিত করেছিলেন?
👉 করম শাহ ছিলেন পাগলপন্থী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ✊।
👉 পরে তার পুত্র টিপু শাহ এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেন 🌾।
👉 তারা সাম্য, আধ্যাত্মিকতা ও জমিদারবিরোধী প্রতিরোধের বার্তা দেন।
—
৭) ব্যঙ্গচিত্র কেন আঁকা হয়?
👉 ব্যঙ্গচিত্র সমাজ ও রাজনীতির ভুলভ্রান্তি 📰😄 তুলে ধরে।
👉 এতে হাস্যরস, অতিরঞ্জন ও প্রতীক ব্যবহার করা হয় 🎨।
👉 এটি সাধারণ মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার শক্তিশালী হাতিয়ার।
—
৮) শিক্ষিত বাঙালি সমাজ কেন ১৮৫৭ বিদ্রোহকে সমর্থন করেনি?
👉 শিক্ষিত বাঙালিরা তখন ব্রিটিশ শিক্ষায় নতুন দিগন্ত দেখছিলেন 🎓।
👉 তারা সামাজিক সংস্কার ও আধুনিকতার পক্ষে ছিলেন 🔍।
👉 এজন্য ১৮৫৭-এর সামরিক বিদ্রোহকে তারা পিছিয়ে পড়া ও অপ্রয়োজনীয় ভেবেছিলেন।
—
৯) শান্তিনিকেতন আশ্রম কী?
👉 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন 🌿।
👉 প্রকৃতির মাঝে শিল্প-সংস্কৃতি ও মানবিক শিক্ষা ছিল এর লক্ষ্য 🎨।
👉 ১৯২১ সালে এটি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় রূপে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পায়।
—
১০) জাইলোগ্রাফি কী?
👉 জাইলোগ্রাফি হলো কাঠখোদাইয়ের মাধ্যমে ছাপা মুদ্রণকলা 🪵🖨️।
👉 এতে কাঠের ব্লকে খোদাই করে ইঙ্ক লাগিয়ে কাগজে ছাপানো হতো।
👉 এটি বিশ্বের প্রাচীনতম মুদ্রণ পদ্ধতিগুলির একটি।
—
১১) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে ‘দ্বিজ’ বলা হয় কেন?
👉 ১৯৬৪ সালে মূল CPI ভেঙে দুটি ভাগে বিভক্ত হয় ⚒️।
👉 একদিকে CPI, অন্যদিকে CPI(M) (মার্কসবাদী) তৈরি হয় 🔴।
👉 এজন্য একে দ্বিখণ্ডিত বা ‘দ্বিজ’ বলা হয়।
—
১২) সর্বভারতীয় কিষানসভা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? এর প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?
👉 ১১ এপ্রিল ১৯৩৬-এ লখনউতে প্রতিষ্ঠিত হয় সর্বভারতীয় কিষানসভা 🌾।
👉 প্রথম সভাপতি ছিলেন স্বামী সাহাজানন্দ সরস্বতী ✊।
👉 কৃষক অধিকার ও জমিদারি বিরোধিতাই ছিল মূল লক্ষ্য।
—
১৩) প্রথম কোন ভারতীয় নারী জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হন এবং কবে?
👉 অ্যানি বেসান্ত ছিলেন কংগ্রেসের প্রথম নারী সভাপতি (১৯১৭) 👩⚖️।
👉 প্রথম ভারতীয় নারী সভাপতি হন সরোজিনী নাইডু (১৯২৫) 🌺।
👉 দুইজনই আলাদা প্রেক্ষাপটে ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
—
১৪) দলিত কাদের বলা হয়?
👉 ‘দলিত’ শব্দের অর্থ ভাঙা বা নিপীড়িত ✊।
👉 সমাজে যাদের নিচু জাতি হিসেবে বঞ্চনা করা হতো, তারাই দলিত।
👉 আজ এটি আত্মপরিচয় ও গর্বের প্রতীক।
—
১৫) দিল্লি চুক্তি (১৯৫০) কেন স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
👉 ৮ এপ্রিল ১৯৫০-এ নেহেরু-লিয়াকত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় 🤝।
👉 উদ্দেশ্য ছিল সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা ও উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধান করা।
👉 এছাড়া সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া ও সহিংসতা থামানোও এর লক্ষ্য ছিল।
—
১৬) পাঞ্জাব ও বাংলায় উদ্বাস্তু সমস্যার পার্থক্য কী ছিল?
👉 পাঞ্জাবে সমস্যা ছিল আকস্মিক, দ্রুত ও রক্তক্ষয়ী ⚠️।
👉 বাংলায় বিভাজন ঘটেছিল ধীরে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে 📉।
👉 পাঞ্জাবের উদ্বাস্তু সংকট ছিল তাৎক্ষণিক, বাংলার ছিল দীর্ঘস্থায়ী।
—