প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় “”কিন্তু অভদ্রতার অযোগ্য তোমরা।”- কাকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য ? এইরূপ মন্তব্যের কারণ কী?”
✨উত্তর✨
বাংলার নাট্যসাহিত্যমালঞ্চের অন্যতম সত্ত্বা শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অংকের প্রথম দৃশ্য থেকে সংকলিত সম শিরোনামীয় পাঠ্যাংশের থেকে আলোচ্যা়ংশটি সংগৃহীত হয়েছে। 📚🎭
—
🎤 বক্তা ও উদ্দিষ্ট্য ব্যক্তি :
মন্তব্যটির বক্তা হলেন বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌলা 👑,
তিনি ইংরেজ প্রতিনিধি ওয়াটস 🏴☠️– এর উদ্দেশ্যে এই মন্তব্যটি করেছেন।
—
🔎 মন্তব্যের কারণ :
আলিবর্দির দৌহিত্র তথা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ ✨ তাঁর স্বল্প শাসনকালে বহু ষড়যন্ত্র ও কূটনীতির সম্মুখীন হন।
নিজের পরিবার পরিজনের একাংশ (যেমন – ঘসেটি বেগম, রায়দুর্লভ, মীরজাফর) দ্বারা তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হন 😠।
আর এই ষড়যন্ত্রে যোগ্য সহায়তা করেছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি ওয়াটস ও অ্যাডমিরাল ওয়াটসন ⚓।
দক্ষ ষড়যন্ত্রীভেদি হিসেবে সিরাজ গুপ্তচর মাধ্যমে এই ইংরেজদের ব্যক্তিগত চিঠিপত্রাদি হস্তগত করেছিলেন 🕵️♂️✉️ এবং তাদের ষড়যন্ত্র ও মনোভাব সম্পর্কে অবগত হয়েছিলেন নিখুঁতভাবেই ✅।
ওয়াটস–ওয়াটসনের একে অপরের উদ্দেশ্যে লেখা এই পত্রগুলি মুন্সি প্রকাশ্যে সভাসদদের বাংলায় বুঝিয়ে দেন 📢।
পত্রের এক একটি বাক্যই ইংরেজদের ক্ষমতাদখল ⚔️ ও প্রতিহিংস্র স্পৃহা 🔥–র স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
অথচ কলকাতায় তৎকালীন আলিনগড়ের সন্ধি 📜 অনুযায়ী স্থির হয় কোম্পানির প্রতিনিধি অনুগত থাকবে।
তাই তাদের এইরূপ আস্পর্ধা দেখে সিরাজ ক্ষিপ্ত হন 😡।
ওয়াটস চিঠিতে লেখেন :
👉 “It is impossible to rely upon the nabab and it will be wise to attack Chandernagore.”
এভাবেই তারা সীমা লঙ্ঘন করে—
🏰 চন্দননগর আক্রমণ
⚔️ অধিক সেনানিবাস স্থাপন করতে উদ্যোগী হয়।
—
😡 সিরাজের প্রতিক্রিয়া :
এই প্রতিস্পর্ধী পদক্ষেপ বিনয়ী শাসক সিরাজ এর জ্ঞাত হলে তিনি বলেন —
👉 “শুধু শান্তিভঙ্গের আকাঙ্ক্ষায় আমি এতদিন তোমাদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করে এসেছি। কিন্তু অভদ্রতার অযোগ্য তোমরা।”
—