ভূমিকা
বর্তমান সময়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা হলো Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq, কারণ এই সাজেশনের মাধ্যমে অল্প সময়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি সহজে রিভিশন করা সম্ভব হয়। আধুনিক পরীক্ষার ধরণ অনুযায়ী Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিকে আরও নির্ভুল ও লক্ষ্যভিত্তিক করে তোলে। যারা পরীক্ষার আগে স্মার্ট স্টাডি করতে চায়, তাদের জন্য Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq একটি নির্ভরযোগ্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে। প্রতিযোগিতামূলক ফলাফল পাওয়ার ক্ষেত্রে Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই সফলভাবে মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষায় ভালো ফল করতে হলে Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq অনুসরণ করা আজকের দিনে অত্যন্ত জরুরি।
- হিমপ্রাচীর হল – উষ্ণ ও শীতল ভিন্নধর্মী সমুদ্রস্রোতের মধ্যবর্তী স্থানে যে সুস্পষ্ট বিভাজন রেখা দেখা যায়।
- হিমপ্রাচীর দেখতে পাওয়া যায় – আটলান্টিক মহাসাগরে।
- হিমশৈল বলে – সমুদ্রে ভাসমান বা আংশিক নিমজ্জিত বরফ যার 1 ভাগ জলের উপরে থাকে আর 8 ভাগ জলের নীচে থাকে ।
- সমুদ্রস্রোত বলে – নিমজ্জিতভাবে একস্থান থেকে অন্যস্থানে সমুদ্রের জলরাশি সারাবছর অনুভূমিকভাবে বাহিত হলে ।
- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত দেখা যায় – উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ।
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির মূল কারণ হল – নিয়ত বায়ুপ্রবাহ।
- শীতল সমুদ্রস্রোতের বর্ণ হল – সবুজ ।
- সমুদ্রজলের উল্লম্ব ওঠানামাকে বলে – সমুদ্রতরঙ্গ ।
- কোরিওলিস বলের উল্লেখ হয় – 1835 সালে ।
- কোরিওলিস বলের স্রষ্টা হল – জি.ডি কোরিওলিস ।
- উষ্ণ ও শীতল স্রোতের সীমারেখার নাম হল – হিমপ্রাচীর ।
- আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম হল – লাব্রাডার ।
- প্রশান্ত মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোতের নাম হল – কুরোশিয়ো স্রোত ।
- ঋতু ভেদে ভারত মহাসাগরের একটি স্রোতের উদাহরণ হল – মৌসুমী স্রোত
- প্রশান্ত মহাসাগরে একটি শীতল স্রোতের নাম হল – বেরিং স্রোত ।
- ক্যানারি স্রোত দেখা যায় – আটলান্টিক মহাসাগরে ।
- জায়র হল – নিয়ত বায়ুগুলির প্রবাহের দ্বারা ক্রান্তীয় উচ্চচাপ ও মেরুদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ে সমুদ্রের জলরাশির মধ্যে সৃষ্ট চক্রাকার গতিকে বলে ।
- এল নিনোর বছরগুলি ভারতে – খরা হয় ।
- উষ্ণ পেরু স্রোতের অপর নাম হল – হামবোল্ড স্রোত ।
- সামুদ্রিক মাছের প্রধান খাদ্য হল – প্ল্যাংকটন ।
- মাদাগাস্কার দ্বীপের পশ্চিম দিকে প্রবাহিত স্রোতটির নাম হল – মোজাম্বিক স্রোত ।
- আটলান্টিক মহাসাগরের একটি মগ্নচড়ার নাম হল – ডগার্স ব্যাংক ।
- শীতল বেঙ্গুয়েলা স্রোতের প্রভাবে সৃষ্ট মরুভূমির নাম হল – নামিব মরুভূমি ।
- মৌসুমী স্রোত দেখা যায় – ভারত মহাসাগরে ।
- জোয়ার হল – চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে প্রতিদিন সাগর, মহাসাগর ওনদীর জল নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে স্ফীত হয় বা ফুলে ওঠে ।
- দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হল – 24 ঘন্টা 52 মিনিট।
- চন্দ্রের আকর্ষণে মুখ্য জোয়ারকে বলে – চন্দ্র জোয়ার।
- পেরিগি সঙ্গে সিজিগির মিলনকে বলে – প্রক্সিজিয়ান।
- চাঁদের পৃথিবী পরিক্রম এর সময়কে বলে – চন্দ্রমাস।
- অ্যাপোগি অবস্থানে পৃথিবী থেকে চন্দ্রের দূরত্ব থাকে – 4 লক্ষ 7000 কিমি ।
- পৃথিবী ও চাঁদের গড় দূরত্ব হল – 3,84,000 কিমি ।
- সমুদ্রস্রোতের গতিবেগ ঘন্টায় গড়ে – 3-9 কিমি।
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি নির্ভর করে – বায়ুপ্রবাহ ।
- উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে দেখা যায় – কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি ।
- উষ্ণ সমুদ্রস্রোত এবং শীতল সমুদ্রস্রোত যে স্থানে মিলিত হয় তাকে বলে – হিমপ্রাচীর ।
- পৃথিবীর মোট আয়তনে,জলভাগ দ্বারা আবৃত অংশ প্রায়- 71% ।
- কানাডার পূর্ব উপকূলে অতি শীতল আবহাওয়া সৃষ্টিকারী সমুদ্রস্রোতটি হল – ল্যাব্রাডর স্রোত।
- ঋতু ভিত্তিক সমুদ্র স্রোতের গতিপথের দিক পরিবর্তন দেথা যায় – উত্তর-ভারত মহাসাগরে।
- ভারত মহাসাগরের উত্তর প্রান্তের স্রোতসমূহ যে বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় – মৌসুমী বায়ু ।
- ফকল্যান্ড স্রোতটি – শীতল ।
- উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের মধ্যবর্তী একটি উষ্ণ স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্বে প্রবাহিত হয় এটি হল – নিরক্ষীয় প্রতিস্রোত ।
- পোর্তুগাল -এর পার্শ্ব দিয়ে শীতল সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয় – ক্যানারি স্রোত ।
- শীতল ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত দেখা যায় – প্রশান্ত মহাসাগরে ।
- সমুদ্রস্রোতের দিক বিক্ষেপের কারণ – পৃথিবীর আর্বতন।
- নিরক্ষীয় স্রোতের উৎপত্তির প্রধান কারণ – আয়ন বায়ু ।
- সমুদ্রে ভাসমান বরফের স্তূপকে বলে – হিমশৈল।
- প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোত হল – বেরিং স্রোত ।
- প্রশান্ত মহাসাগরের অন্তর্গত একটি স্রোত হল – পেরু স্রোত ।
- একটি উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের উদাহরন – উপসাগরীয় স্রোত।
- শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত মিলিত হয়ে ঘনকুয়াশা ও ঝড়-ঝঞ্ঝার সৃষ্টি করে যে উপকূল অঞ্চলে তা হল – নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল ।
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ – নিয়ত বায়ু ।
- দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত দেখা যায় – প্রশান্ত মহাসাগরে ।
- পেরু স্রোত দেখা যায় – প্রশান্ত মহাসাগরে ।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্র জলের গড় উষ্ণতা – 27° C ।
- ‘এল নিনো’ শব্দের অর্থ – ছোটো জিশু।
- এল নিনো ও লা নিনা পরস্পর – বিপরীতে ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মগ্নচড়া – গ্র্যান্ড ব্যাংক ।
- গভীর সমুদ্রের তুলনায় অগভীর সমুদ্রে সমুদ্রস্রোতের গতি – বেশি ।
- ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ বরফমুক্ত থাকে কারণ পাশ দিয়ে বয়ে যায় – উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত ।
- নরওয়ে হামারফেস্ট বন্দর শীতকালে বরফমুক্ত থাকার কারণ – উত্তর আটলান্টিক ড্রিফট সমুদ্রস্রোত ।
- গ্র্যান্ড ব্যাংক স্থানটি বিখ্যাত – মৎস্য চাষের জন্য ।
- লবনাক্ত জল হয় – ভারী ।
- গাঢ় কুয়াশা দেখা যায় – নিউফাউন্ডল্যান্ডে ।
- আগুলাস স্রোত দেখা যায় – ভারত মহাসাগরে ।
- মোট সমুদ্র জলের পৃষ্ট স্রোতরূপে প্রবাহিত হয় – 10% ।
- এল নিনোর প্রভাব দেখা যায় – প্রশান্ত মহাসাগরে।
- গ্র্যাণ্ড ব্যাংক মগ্নচড়াটি অবস্থান করছে যে মহাসাগরে – আটলান্টিক ।
- পৃথিবীর থেকে চাঁদের দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম তখন যে জোয়ার সৃষ্টি হয় তাকে বলে – পেরিজি জোয়ার ।
- পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব সর্বাধিক হলে তাকে বলে – অ্যাপোজি।
- ভরা জোয়ার হয় – অমাবস্যা-পূর্ণিমা তিথিতে ।
- কডাল শব্দের অর্থ – সমুদ্র ।
- জোয়ার ও ভাটার প্রত্যেকের স্থায়িত্বকাল প্রায় – ছয় ঘণ্টা ।
- ভরা কোটালে পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্য থাকে – 180° ।
- দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হল – 24 ঘন্টা 52মিনিট ।
- মরাকোটাল হয় – শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ।
- মহাকাশে সূর্য,চাঁদ ও পৃথিবীর প্রতিযোগ অবস্থান পরিলক্ষিত হয় – পূর্ণিমা তিথিতে ।
- চন্দ্রের কেন্দ্র যখন পৃথিবীর কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছে থাকে তাকে বলে – পেরিগি।
- সংযোগ অবস্থানের সময় থাকে – অমাবস্যা ।
- সিজিগিতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর অবস্থান থাকে – 180° ।
- এক চন্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য – 27 1/3 দিন ।
- জোয়ার ভাটা খেলে এমন নদী – হুগলি ।
- প্রতিযোগ অবস্থানের সময় থাকে – পূর্ণিমা ।
- মরা কোটাল দেখা যায় যখন চন্দ্র ও সূর্য – পরস্পর সমকোণে ।
- মরা কোটালের সময়ে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে – 180° কোণে অবস্থান করে ।
- নদীতে ‘বান ডাকা ‘হয় যে সময়ে – ভরা কোটালের সময় ।
- ভরাকোটাল – 25 দিন অন্তর একটি নিদিষ্ট স্থানে একবার হয় ।
- কোনো স্থানের জোয়ার ও ভাটার প্রকৃত ব্যবধান প্রায় – ছয় ঘন্টার বেশি ।
- শীতল স্রোতের ক্ষেত্রে সমুদ্রের জল হয় – ভারী।
- সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টিতে সাহায্য করে – আর্বতন গতি ।
- শীতল ওভারী সমুদ্রস্রোত – অন্তস্রোত রূপে প্রবাহিত হয় ।
- উষ্ণ স্রোত উষ্ণমণ্ডল থেকে শীতল মেরুর – বহিঃস্রোত রূপে প্রবাহিত হয়।
- সোমালি স্রোত দেখা যায় – ভারত মহাসাগরে ।
- জাপান স্রোতের অপর নাম – কুরেশিয়ো স্রোত ।
- সুশিমা স্রোত দেখা যায় – প্রশান্ত মহাসাগরে ।
- হিমশৈল গলনের ফলে মহীসোপানের উপর – মগ্নচড়া সৃষ্টি হয় ।
- ল্যাব্রাডার স্রোত দেখা যায় – আটলান্টিক মহাসাগরে ।
- প্ল্যাংকটন হল – সমুদ্রের আণুবিক্ষণিক উদ্ভিদ ও জীব ।
- কড মাছের বিখ্যাত শিকার কেন্দ্র – গ্র্যান্ড ব্যাংক ।
- হিমশৈল বহনকারী একটি সমুদ্রস্রোতের নাম – ল্যাব্রাডর ।
- ডর্গাস ব্যাংক মগ্নচড়াটি সৃষ্টি হয়েছে – উত্তর সাগরে।
- সর্বাধিক স্পষ্ট শৈবাল সাগর দেখা যায় – আটলান্টিক মহাসাগরে।
- চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে তাকে বলে – সিজিগি।
- চান্দ্রদিন হল – 24 ঘন্টা 43মিনিট 29 সেকেন্ড।
- চাঁদ সূর্য অপেক্ষা – 27.7 কোটি গুন ছোটো।
- আবর্তন গতি জনিত কেন্দ্রবিমুখী শক্তির প্রভাবে – মূখ্য জোয়ার হয় ।
- ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে জলরাশিতে জোয়ার ভাটার ক্ষেত্রে – চাঁদের প্রভাব বেশি ।
- একটিগৌণ জোয়ার ও একটি মূখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের পার্থক্য হয় – 12 ঘন্টা 26 মিনিট ।
- অ্যাপোজি অবস্থানে জোয়ারের তীব্রতা -কম ।
- সর্বাধিক শক্তিশালী জোয়ার সংঘটিত হয় – অমাবস্যায়।
- চাঁদ ও সূর্যের প্রভাবে জোয়ার সৃষ্টির অনুপাত – 9:4 ।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, নিয়মিতভাবে Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq অনুসরণ করলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হয়। কম সময়ে বেশি নম্বর তোলার কৌশল শেখার জন্য Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq অত্যন্ত কার্যকর একটি মাধ্যম। পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তের রিভিশনে Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে যাতে প্রস্তুতিতে ফাঁক না থাকে, সেই জন্য Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq বিশেষভাবে সহায়তা করে। তাই ভবিষ্যতের সাফল্য নিশ্চিত করতে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীরই Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq নিয়মিতভাবে অনুসরণ করা উচিত।
People Also Search For বা Related Searches
- Madhyamik geography short question suggestion 2026 pdf download
- Madhyamik geography short question suggestion 2026 pdf
- Madhyamik geography short question suggestion 2026 mcq
- Madhyamik geography short question suggestion 2026 english
- মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026 pdf
- মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026 mcq
- মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2026 pdf
- মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৫