“একমাত্র এই ভাবনা তাকে অন্যমনস্ক করে দেয়।” কার কথা বলা হয়েছে? যে পরিপ্রেক্ষিতে তার এই মানসিক অবস্থা তা নিজের ভাষায় লেখো।

প্রিয় পাঠক পাঠিকা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় _____“একমাত্র এই ভাবনা তাকে অন্যমনস্ক করে দেয়।” কার কথা বলা হয়েছে? যে পরিপ্রেক্ষিতে তার এই মানসিক অবস্থা তা নিজের ভাষায় লেখো।

“একমাত্র এই ভাবনা তাকে অন্যমনস্ক করে দেয়।” কার কথা বলা হয়েছে? যে পরিপ্রেক্ষিতে তার এই মানসিক অবস্থা তা নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর ✍️ :
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 📖 ‘হলুদ পোড়া’ গল্পের উল্লিখিত অংশে ধীরেন চাটুয্যের 🧑‍🏫 কথাই বলা হয়েছে।

পঙ্কজ ঘোষাল বলেছিল 😮 যে — মরা মানুষ 👻 অর্থাৎ অশরীরীও জীবিত মানুষের গলা টিপে মারতে পারে 😨।
অন্যদিকে কুঞ্জ গুনিন 🧙‍♂️ বলেছিল যে, বলাই চক্রবর্তী ⚰️ শুভ্রাকে খুন করেছে,
কিন্তু সোজাসুজি নয় — কারণ কেউ মরার পর এক বছরের মধ্যে সরাসরি খুন করতে পারে না ⏳।
যদি শ্রাদ্ধশান্তি না হয়, তখনই মৃত আত্মা কোনো মানুষের দেহে ভর করে 😱
তার রক্তমাংসের হাত দিয়েই অন্য কাউকে ক্ষতি করতে পারে 🔮।

এইসব অদ্ভুত ও রহস্যময় কথা 🌀
অনেক কান ঘুরে 🎧 পরদিন সকালে পৌঁছে যায়
শুভ্রার দাদা ধীরেনের কানে 👂।

ধীরেনের মধ্যে তাতে এক অদ্ভুত মানসিক প্রতিক্রিয়া 🤯 সৃষ্টি হয়।
অগ্রহায়ণের উজ্জ্বল মিঠে রোদ ☀️ চারিদিকে ছড়িয়ে আছে,
বর্ষার পরিপুষ্ট গাছ 🌿 আর আগাছার জঙ্গলে 🌾 জীবনের ছড়াছড়ি 🌱।
বাড়ির পিছনের ডোবাটি 💧 গাঢ় সবুজ কচুরিপানায় ঢাকা,
তালগাছের গুঁড়ির ঘাটটি 🌴 জল কমে অর্ধেক ভেসে উঠেছে।
সেই ঘাটের ধাপগুলি ধীরেন নিজেই তৈরি করেছিল 🪵
সাত মাসের গর্ভবতী শুভ্রার ওঠানামার সুবিধার জন্য 🤰।

এমন জায়গাতেই শুভ্রার খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল 😢।
পাড়ার লোকের ছড়ানো গুজব 🗣️ ধীরেনকে ক্ষুব্ধ করেনি ❌,
বরং তার মন ভরে গিয়েছিল এক গভীর চিন্তায় 🤔 —
👉 শুভ্রার খুনি কোন দিক থেকে ঘাটে এসেছিল?
👉 কেন এসেছিল?
👉 কীভাবে সেই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছিল?

এই প্রশ্নগুলিই 🔄 তার চিন্তার জগতে ঘুরতে থাকে,
এবং “একমাত্র এই ভাবনা তাকে অন্যমনস্ক করে দেয়” 😶‍🌫️।

💬 অর্থাৎ, ধীরেনের মন শুভ্রার মৃত্যুর রহস্যে এমনভাবে ডুবে গিয়েছিল 🌫️
যে চারপাশের জগৎ থেকে সে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে 🌍➡️🕳️।
এইভাবেই তার অন্তর্দ্বন্দ্ব, শোক ও চিন্তাজনিত অন্যমনস্কতা-র প্রকাশ ঘটে 💔💭।

Leave a Comment