আমি প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় _____গৌরবি তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারে না।”- গৌরবির এই সমস্যার কারণ কী? হাঁটার সমস্যার কারণে সে কার উপর, কীভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল?
গৌরবি তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারে না।”- গৌরবির এই সমস্যার কারণ কী? হাঁটার সমস্যার কারণে সে কার উপর, কীভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল?
উত্তর _____
⭐ সমস্যার কারণ
মহাশ্বেতা দেবীর লেখা ‘হারুন সালেমের মাসি’ ছোটোগল্পে বর্ণিত গৌরবি বিশেষভাবে সক্ষম এক দরিদ্র, অসহায় বিধবা। তার একটি পা জন্ম থেকেই ত্রুটিযুক্ত, গোড়ালি ও পাতা বাঁকা। পায়ের ‘আঙুলগুলো পেছনে বাঁকানো।’ এই কারণে সে তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারে না। গৌরবিকে পা টেনে টেনে কষ্ট করে চলতে হয়।
✨ (জন্মগত ত্রুটিই তার চলাফেরা কঠিন করে তুলেছে।)
—
⭐ নির্ভরশীলতা
হাঁটার সমস্যার কারণে গৌরবি জীবিকার প্রয়োজনে শহরে যেতে পারে না। একাকী অসহায় নারী আরেক দুঃখিনী প্রতিবেশী আয়েছা বিবির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আয়েছা বিবি (হারার মা) গৌরবিকে জীবিকার উপায় জানিয়ে দেয়।
দুজনে মিলে বিলের ধারে ও খালপাড়ে থানকুনি পাতা, কচুশাক, যজ্ঞডুমুরের ডাল, দূর্বাঘাস, বেলপাতা সংগ্রহ করে। পরে সেগুলো যশিদের কাছে বেচে দেন। যশিরা শহরে সেগুলো বিক্রি করে গৌরবি–আয়েছাদের টাকাপয়সা দেয়।
শাকপাতা, গুগলি সংগ্রহে হারার মা গৌরবিকে নিয়মিত সাহায্য করত। ফলে গৌরবি আর্থিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও আয়েছার উপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে।
✨ (অসহায় দুই নারী হয়ে ওঠে পরস্পরের ভরসাস্থল।)
—