স্নেহের শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় _________গৌরবির নিজের জন্যে বড় কষ্ট হল।”—গৌরবির কষ্ট হল কেন?|অথবা, “কে মুখ শলা করবে কে জানে!”- গৌরবির এই চিন্তাভাবনায় হতাশা কেন? |অথবা, “এইসব সময়ে গৌরবির বড়ো কষ্ট হয়। ও রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে।”- গৌরবির কষ্টের কারণ কী? সে বেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে কেন?
গৌরবির নিজের জন্যে বড় কষ্ট হল।”—গৌরবির কষ্ট হল কেন?|অথবা, “কে মুখ শলা করবে কে জানে!”- গৌরবির এই চিন্তাভাবনায় হতাশা কেন? |অথবা, “এইসব সময়ে গৌরবির বড়ো কষ্ট হয়। ও রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে।”- গৌরবির কষ্টের কারণ কী? সে বেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে কেন?
উত্তর _________
✨ গৌরবির কষ্টের কারণ
মহাশ্বেতা দেবীর লেখা ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পের প্রধান চরিত্র গৌরবি চিরদুঃখী, নিঃসঙ্গ এক বিধবা নারী 👵💔।
প্রতিবেশী ও বান্ধবী আয়েছা বিবি—হারার মা—মৃত্যুবরণ করার পর গৌরবির মন আরও ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে 😞🥀।
আয়েছা বিবি নিজের ঘরেই মরেছে এবং তার ছেলে হারার হাতের মাটি পেয়েছে ⚰️🕌—এই বিষয়টি গৌরবির মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। কারণ গৌরবি ভাবে—
“আমি বা কোথায় মরব, কে মুখ শলা করবে কে জানে।” 😔🔥
তার ছেলে নিবারণ মাকে আশ্রয় দেয়নি, দেখাশোনাও করে না। তাই গৌরবির মনে ভয়—
👉 সে কি নিজের ঘরে মরতে পারবে?
👉 মৃত্যুর পর ছেলের হাতের আগুন কি আদৌ পাবে?
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই ভয় ও হতাশাই তাকে তীব্র কষ্ট দেয় 😢💔।
নিজের পরিণতির কথাই তাকে সবচেয়ে বেশি ভেঙে দেয়।
—
রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকার কারণ
গভীর কষ্টের সময় গৌরবি রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে… 👀🚉
কারণ সেখানে লুকিয়ে আছে তার মায়ের হৃদয়ের ব্যথা—তার ছেলে নিবারণ।
মাত্র কয়েকটা স্টেশন দূরেই সমাজের লোকেরা জমি পেয়েছে, সেখানে ঘর বানিয়ে থাকে নিবারণ 🏠➡️🚉।
কিন্তু সে মাকে নিজের ঘরে থাকতে দেয়নি, ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেয়নি 😔❌।
এক পায়ে প্রতিবন্ধকতা, চরম দারিদ্র্য আর নিঃসঙ্গ জীবন নিয়ে গৌরবি কষ্টে বাঁচে 🦵💔🥀।
নিবারণ প্রতিশোধবশত মাকে আশ্রয় না দিয়ে তাকে একা ফেলে দিয়েছে—
কারণ বোনের বিয়েতে সাইকেল-ঘড়ি-টর্চ না দেওয়ার রাগ 😞🔥।
এই ভয় তাকে তাড়ায়—
👉 মৃত্যুর পর ছেলের হাতের আগুনটুকুও পাবে না সে…
তাই কষ্টে, উদাস চোখে গৌরবি রেললাইনের দিকে তাকিয়ে থাকে…
সেই রেললাইনের দিকে—যে পথ হয়তো একদিন তাকে ছেলের কাছে নিয়ে যাবে। 🚉💔👵
—