Madhyamik 2026 Geography MCQ Suggestion & Short Notes

🌍 ভূমিকা :

📘 মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন বিষয় হলো madhyamik 2026 Geography mcq suggestion। যদি তুমি মাধ্যমিক 2026 ভূগোল শর্ট সাজেশন ও mcq saq কমন প্রশ্ন খুঁজে থাকো, তবে তুমি একদম ঠিক জায়গায় এসেছো! এখানে আমরা এনেছি এমন এক সাজেশন সেট যা পরীক্ষার জন্য একদম sure common হবে।

📚 প্রতি বছর ভূগোল বিষয়টি থেকে WB Board পরীক্ষায় প্রচুর MCQ ও SAQ আসে। তাই সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হলে madhyamik 2026 Geography mcq suggestion ও বিশদ শর্ট নোট খুবই দরকারি। এই আর্টিকেলে তুমি পাবে–

আমাদের তৈরি করা মাধ্যমিক 2026 ভূগোল শর্ট সাজেশন WB Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী সম্পূর্ণ আপডেটেড এবং পরীক্ষা উপযোগী। এটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে তুমি খুব সহজে madhyamik 2026 Geography mcq suggestion পড়ে ১০০% কমন পেতে পারো।

📖 তাই দেরি না করে এখনই পড়ে ফেলো এই সম্পূর্ণ madhyamik 2026 Geography mcq suggestion // মাধ্যমিক 2026 ভূগোল শর্ট সাজেশন // mcq saq কমন, কারণ এখানেই তোমার Geography Full Marks পাওয়ার পথ তৈরি! 🚀


  1. ক্ষুব্ধমণ্ডল বলা হয় -ট্রপোস্ফিয়ারকে
  2. আকাশ নীল হবার কারণ – ধুলিকণা
  3. বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে প্রতি 1 কিমি বা 1000 মিটার উচ্চতা বাড়লে উষ্ণতা কমে যায় – 6.4°C
  4. ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্যাটোস্ফিয়ারের সীমারেখাকে বলে -ট্রপোপজ
  5. আবহাত্তয়ার যাবতীয় ঘটনা ঘটে -ট্রপোস্ফিয়ারে
  6. ওজোন গ্যাস পরিমাপের একক -ডবসন
  7. বায়ুমণ্ডলে যে গ্যাস সর্বাধিক আছে -নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড
  8. সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে -ওজোন গ্যাস
  9. বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর -মেসোস্ফিয়ার
  10. মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যায় -আয়নোস্ফিয়ার
  11. ওজোন ধ্বংসকারী মূল উপাদান হলো -CFC
  12. হেটেরোস্ফিয়ারের নিম্নতম স্তরটি হলো -আণবিক নাইট্রোজেন স্তর
  13. ‘প্রাকৃতিক সৌরপর্দা’ বলা হয় -ওজোনস্ফিয়ারকে
  14. ১৮৪০ সালে ওজোন গ্যাসের অস্তিত্ব নিয়ে বলেন – স্কোনবি
  15. উল্কাপাত পুড়ে ছাই হয় যে স্তরে -মেসোস্ফিয়ার
  16. ওজোন গ্যাস ঘনীভূত অবস্থায় আছে -স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারে
  17. নকটিলুসেল্ট মেঘ দেখা যায় -মেসোস্ফিয়ারে
  18. অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয় যে স্তরে -স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারে
  19. জেট বায়ু বায়ুমণ্ডলের যে অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয় -টপোপজ
  20. ‘শান্তমণ্ডল’ বলা হয় যে স্তরকে -স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারকে
  21. মন্ট্রিল প্রোটোকল হয় – ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে
  22. ওজোন ঘনত্ব – ২০০ ডবসনের কম হলে ওজোন গহ্বর হয়
  23. এক্সোস্ফিয়ারে যে গ্যাস থাকে -হিলিয়াম,হাইড্রোজেন
  24. ওজোন স্তর আবিষ্কার করে -চার্লস ফেব্রি,হেনরি বুশন
  25. বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তর – ম্যাগনোটোস্ফিয়ার
  26. Aerosol কথার অর্থ -বায়ুকণা
  27. ধুলিকণা বেশি থাকে যে ঋতুতে – শীত
  28. হেটেরোস্ফিয়ারের সর্বোচ্চ স্তর -হাইড্রোজেন স্তর
  29. বায়ুমণ্ডলের 97% উপাদান -29 কিমির মধ্যে থাকে
  30. হেটেরোস্ফিয়ারের অপর নাম -বিষমমণ্ডল
  31. ট্রপোপজের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলেও উষ্ণতা অপরিবর্তিত থাকে বলে একে -সমতাপ অঞ্চল বলে
  32. বায়ুমণ্ডলে N2 ও 02 গ্যাসের অনুপাত – 4:1
  33. জেট প্লেন যাতায়াত করে -স্ট্রাটোস্ফিয়ার দিয়ে
  34. রসবি তরঙ্গ সৃষ্টি হয় – ঊর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ারে
  35. মেঘ, ঝড়,বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয় -ট্রপোস্ফিয়ারে
  36. পৃথিবীর চৌম্বকধর্ম বলা হয় -ম্যাগনেটোস্ফিয়ারকে
  37. নিরক্ষীয় অঞ্চলে ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা -16-18 কিমি
  38. ‘পৃথিবীর ছাতা’ বলা হয় -ওজোন স্তরকে
  39. অক্সিজেন -গ্যাসের প্রভাবে লোহার মরচে ধরে
  40. বায়ুমণ্ডলে দুটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস -আর্গন ও নিয়ন
  41. ম্যাগনেটোপজ – ভ্যান অ্যালেন বিকিরণ বলায় নামে পরিচিত
  42. ওজোন গ্যাস ধ্বংসকারী দুটি গ্যাস – CFC ও নাইট্রাস অক্সাইড
  43. CFC গ্যাসের পুরো নাম – ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
  44. ওজোন স্তরের ক্ষয়জনিত বিপদ বেশি আন্টার্কটিকা মহাদেশে
  45. পৃথিবী ব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে – বিশ্ব উষ্ণায়ন
  46. পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা হলো – 15°C
  47. যে পরিমাণ সৌরশক্তি বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠ সরাসরি মহাশূন্যে ফিরিয়ে দেয় -34%
  48. এল নিনোর আগমন হয় -প্রশান্ত মহাসাগরে
  49. পৃথিবীতে সৌর ধ্রুবকের পরিমাণ – 1.94 ক্যালোরি/বর্গসেমি
  50. বার্ষিক উষ্ণতার প্রসার বেশি – নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে
  51. প্রতি 1000 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বায়ুর উষ্ণতা হ্রাসের হার -6.4°C
  52. সমোষ্ণরেখা বিস্তৃতি থাকে – পূর্ব-পশ্চিম
  53. কার্যকারী সৌরশক্তি হল – 66%
  54. অ্যালবেডোর পরিমাণ বেশি – তুষার ক্ষেত্রে
  55. সূর্যের ২০০ কোটি ভাগের – 1 ভাগ উষ্ণতা পৃথিবীতে আসে
  56. বায়ু উষ্ণতা মাপা হয় – থার্মোমিটার যন্ত্রে
  57. উন্নত দেশের মধ্যে গ্রীন হাউস গ্যাস সৃষ্টি করে – আমেরিকা
  58. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নেয় – কার্বন ডাই অক্সাইড
  59. বায়ুমণ্ডল সর্বাধিক উত্তপ্ত হয় – বিকিরণ পদ্ধতিতে
  60. সূর্যরশ্মি পৃথিবীতে আসে – ক্ষুদ্র তরঙ্গ মাধ্যমে
  61. এল নিনো অর্থ হলো – শিশু খ্রীষ্ট
  62. সূর্য থেকে আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গ গতিবেগ -297000 কিমি/সেঃ
  63. এল নিনো বছরে ভারতে -খরার সৃষ্টি হয়
  64. মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি মেঘমুক্ত রাত্রির তুলনায় – উষ্ণ হয়
  65. জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হলে -লীনতাপ সৃষ্টি হয়
  66. পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াকে – বিশ্ব উষ্ণায়ণ বলে
  67. সমুদ্র জলতলের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণ – বরফ গলন
  68. এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত গ্যাস – CFC
  69. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে উষ্ণতা বৃদ্ধি হল – বৈপরীত্য উত্তাপ
  70. পৃথিবীতে আগত সৌরশক্তিকে বলে – ইনসোলেশান
  71. লা নিনা কথার অর্থ – ছোট্ট মেয়ে
  72. পরিচলন পদ্ধতিতে – বায়ুমণ্ডল বেশি উত্তপ্ত হয়
  73. পচা জৈব পদার্থ থেকে নির্গত গ্রীন হাউস গ্যাস – মিথেন (CH4)
  74. যে পরিমাণ সৌরশক্তি পৃথিবীকে উত্তপ্ত না করে মহাশূন্যে ফিরে যায় তাকে – অ্যালবেডো বলে
  75. সমুদ্র পৃষ্ঠের বায়ুর চাপ – 1013.2 মিলিবার
  76. ভূ পৃষ্ঠে চাপ বলয়ের সংখ্যা – 7 টি
  77. অশ্ব অক্ষাংশ দেখা যায় – 25° -35° উঃ দঃ
  78. ITCZ বলা হয় – নিরক্ষীয় অঞ্চলকে
  79. নিরক্ষীয় অঞ্চলে নিম্ন চাপের কারণ – বেশি উষ্ণতা
  80. বায়ুর শক্তি নির্ণায়ক স্কেল – বিউফোর্ট স্কেল
  81. ডোলড্রাম সৃষ্টি হয় – নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  82. জেট বায়ু হলো -জিওস্ট্রপিক
  83. মরুভূমি সৃষ্টির পিছনে রয়েছে – আয়নবায়ু
  84. সাময়িক বায়ু হলো – মৌসুমী বায়ু
  85. বায়ু প্রবাহের গতিবেগ মাপার একক – নট
  86. ক্যাটাবেটিক বায়ু হলো – সাময়িক
  87. জেট বায়ু প্রবাহিত হয় – 9-12 কিমি বেগে
  88. বায়ুর গতিবেগ মাপার একক – অ্যানিমোমিটার
  89. সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ুর বৃহৎ সংস্করণ হলো – মৌসুমী বায়ু
  90. দীর্ঘকার নিম্নচাপ বলে – ট্রাফ
  91. ঘূর্ণবর্তের কেন্দ্রে থাকে – নিম্নচাপ
  92. বায়ুর চাপ মাপার একক – মিলিবার
  93. ক্ষুদ্রাকার – নিম্নচাপ – রিজ
  94. বায়ুচাপ বলয়ের সীমানা পরিবর্তনের কারণ – সূর্যের আপাত বার্ষিক গতি
  95. ঘূর্ণবাতের চক্ষু সৃষ্টি হয় – ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতে
  96. সমুদ্র বায়ুর গতিবেগ বেশি হয় – দুপুরে
  97. বাতাসের বেগ মাপা হয় – অ্যানিমোমিটারে
  98. আয়ন বায়ুর অপর নাম – বাণিজ্য বায়ু
  99. ভারতে মৌসুমী বিষ্ফোরণে দায়ী – উপক্রান্তীয় পশ্চিমা জেট বায়ু সরে যাওয়া
  100. কোরিওলিস বল নিরক্ষরেখায় মান – শূন্য
  101. চিনুক কথার অর্থ -তুষারখাদক
  102. দিনের – বেলায় সমুদ্রবায়ু যায়
  103. বর্ষাকালে ভারতে যে জেট বায়ু প্রবাহিত হয় – পূর্বালি জেট
  104. পার্বত্য বায়ুকে বলে – ক্যাটাবেটিক
  105. প্রতীপ ঘূর্ণবাত আবহাওয়া – শান্ত
  106. ঊর্ধ্বমুখী উপত্যকা বায়ু – অ্যানাবেটিক
  107. সমুদ্র পৃষ্ঠে স্বাভাবিক চাপ প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে – 14.7 পাউন্ড
  108. স্থলবায়ু প্রবাহিত হয় – রাতের বেলা
  109. শীতকালে – উপক্রান্তীয় পশ্চিমী জেট বায়ু প্রবাহিত হয়
  110. পৃথিবীর বেশিরভাগ মরুভূমি সৃষ্টি হয়েছে – ক্রান্তীয় উপক্রান্তীয় অঞ্চলে
  111. পৃথিবীর আবর্তনের জন্যে – কোরিওলিস বলের সৃষ্টি হয়
  112. প্রতীপ ঘূর্ণাবর্ত কথাটি ব্যবহার করেন – Sir F. Galton
  113. সাম্প্রতিক বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম – আম্ফান
  114. সাম্প্রতিক আরবসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম – নিসর্গ
  115. চেরাপুঞ্জিতে যে বৃষ্টি হয় – শৈলোৎক্ষেপণ
  116. ভারতের বৃষ্টিচ্ছায়া অঞ্চল হল – শিলং
  117. আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হয় – ভোরবেলা
  118. ঋতু পরিবর্তন দেখা যায় না – নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে
  119. বৃষ্টিপাত পরিমাপ মাপার যন্ত্রের নাম – রেনগজ
  120. মৌসুমী জলবায়ু দেখা যায় – 10° – 30° অক্ষাংশ
  121. বার্ষিক উষ্ণতার প্রসর কম – নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে
  122. মেঘাচ্ছন্নতার পরিমাপ করা হয় – অক্টাস যন্ত্রে
  123. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর সৃষ্টি হয় – শীত ঋতুতে
  124. আর্দ্রতার পরিমাপক যন্ত্রের নাম – হাইগ্রোমিটার
  125. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয় – প্রতিবাদ ঢালে
  126. বৃষ্টিচ্ছায়া অঞ্চল দেখা যায় – অনুবাত ঢালে
  127. বৃষ্টির সময় আপেক্ষিক আর্দ্রতা – 100%
  128. বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বায়ুর মোট ভরের প্রায় – 0-4%
  129. গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ক্ষেত্রে জলকণার ব্যাস – 0.5 মিমি কম
  130. সর্বাধিক উষ্ণতার প্রসার থাকে – তুন্দ্রা জলবায়ুতে
  131. সম্পৃক্ত বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা – 100%
  132. জলীয় বাষ্প বেশি থাকে – শীত কালে
  133. ফাইলিন হয়েছিল – 2013 সালে
  134. পশ্চিমবঙ্গের শরৎকালে ঘূর্ণিঝড় হলো – আশ্বিনের ঝড়
  135. আর্দ্র শীতকাল ও শুষ্ক গ্রীষ্মকাল দেখা যায় – ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে
  136. জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হলে ধূলিকণা মিশলে তৈরি হয় – ধোঁয়াশা
  137. সীমান্ত বৃষ্টি হলো -নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টি
  138. ছোট ছোট বরফ কণার সাথে বৃষ্টিকে বলে – সিট
  139. সংধর্মী সম্মিলন তত্ত্ব – বোরেন
  140. Bumpy Cloud হল – স্ট্র‍্যাটোকিউমুলাস /মেঘ
  141. শীতকালীন মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্টি হয় – বাষ্পীভবন
  142. 4’O Clock Rain বলে – পরিচলন বৃষ্টিকে
  143. শীতকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি হয় – করমণ্ডল উপকূলে
  144. শীতকালীন বৃষ্টিপাতের দেশ – ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
  145. সমবর্ষণ রেখা – পূর্ব পশ্চিমে অবস্থিত
  146. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি দুটি ঘূর্ণাবর্তের নাম – আয়লা ও ফাইলিন
  147. যে তাপমাত্রায় জলীয় বাষ্প জলকণায় পরিণত হয় তাকে বলে – শিশিরাঙ্ক
  148. বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্রের নাম – অ্যাটমোটিমার
  149. আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রতিস্থাপক যন্ত্র – সাইত্রামিটার
  150. কিউমুলোনিম্বাস – থেকে পরিচলন বৃষ্টি হয়
  151. উষ্ণতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্ক -ব্যাস্তানুপাতিক
  152. Resort Climate At The World বলে – ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলকে

🏁 উপসংহার

শেষ পর্যন্ত বলা যায়, সফলতা আসে প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে — আর সেই প্রস্তুতিকে সহজ করে তুলতেই আমাদের এই madhyamik 2026 Geography mcq suggestion। পরীক্ষার আগে প্রতিটি শিক্ষার্থীর উচিত এই মাধ্যমিক 2026 ভূগোল শর্ট সাজেশন ভালোভাবে অনুশীলন করা, কারণ এখানে থাকা mcq saq কমন প্রশ্নগুলোই হলো আগামী পরীক্ষার আসল চাবিকাঠি।

💡 এই সাজেশনে আমরা রেখেছি এমন সব অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন, যেগুলো বারবার বোর্ড পরীক্ষায় এসেছে। নিয়মিত রিভিশন ও মক টেস্টের মাধ্যমে তুমি সহজেই পূর্ণ নম্বর পেতে পারবে। WB Board পরীক্ষায় উচ্চ নম্বর পেতে চাইলে প্রতিদিন কিছু সময় দাও এই madhyamik 2026 Geography mcq suggestion প্র্যাকটিসে।

🔥 মনে রেখো, তোমার আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিক অধ্যবসায়ই তোমাকে সফল করবে। তাই এখনই PDF ডাউনলোড করো এবং প্রস্তুতি নাও আমাদের দেওয়া madhyamik 2026 Geography mcq suggestion // মাধ্যমিক 2026 ভূগোল শর্ট সাজেশন // mcq saq কমন অনুযায়ী।

Stay tuned with us for more madhyamik 2026 Geography mcq suggestion updates, short notes & common SAQ sets — তোমার র‍্যাঙ্ক ১ পাওয়ার সঙ্গী আমরা!

Leave a Comment