ভূমিকা :
Madhyamik Bengali MCQ 2026 শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মাধ্যম।
এই Madhyamik Bengali MCQ 2026 ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বোঝার সুযোগ পায় পরীক্ষার ধরণ, নম্বর বণ্টন এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে।
Madhyamik Bengali MCQ 2026 সমাধানসহ দেওয়া থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের দুর্বল অংশ চিহ্নিত করতে পারে এবং প্রস্তুতি আরও নিশ্চিত করতে পারে।
এই মডেল পেপারটি Madhyamik Bengali MCQ 2026 পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস এবং সময় ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে সাহায্য করে।
—
- “শুধু এইটাই জানা ছিল না” – অজানা বিষয়টি হল – মেসো একজন লেখক
- ‘ধরে গেল আগুন’ – আগুন ধরে গেল – সমস্ত সমতলে
- প্রদোষ কাল ঝঞ্ঝাবাতাসে রুদ্ধশ্বাস – প্রদোষ শব্দের অর্থ – সন্ধ্যা
- ‘কেরি সাহেবের মুনশি’ নামে যিনি খ্যাত ছিলেন – রামরাম বসু
- ‘নাদিলা কর্বূর দল’ – কর্বূর শব্দের অর্থ – রাক্ষস
- ‘এমনি তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে’ – যাদের অভ্যাস হয়ে গেছে – বাঙালীদের
- সৈয়দ আলাওল যে সময়ের কবি – সপ্তদশ শতক
- ‘আমার শুধু একটা কোকিল’ – এই কোকিলটি হল – কবির অনুভূতির জগৎ
- ‘চোখের পলকে কোথায় যে অদৃশ্য হইয়া গেল’ – গিরিশ মহাপাত্র
- মামার বাড়িতে যার বিয়ে উপলক্ষে তপন এসেছে – ছোট মাসি
- বিরাগীর তীর্থভ্রমণের জন্য জগদীশবাবু দিয়েছিলেন – একশো এক টাকা
- অমৃতের বয়স ছিল – ১০ বছর
- সাজিলা শূর – শমীবৃক্ষ মূলে
- যার কাঁদন বজ্রগানে ঝড় – তুফানে রণিয়ে ওঠে – হ্রেষা
- যাদের শব ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে – শিশুদের
- ‘ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম ‘ঝরনা কলম’। এই নামকরণটি যিনি করেছেন বলে লেখকের অনুমান -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ‘শ্রীপান্থ’ যার ছদ্মনাম -নিখিল সরকার
- বিজ্ঞান বিষয়ক বাংলা গ্রন্থ বা প্রবন্ধ পাঠকদের মোটামুটি যে কটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় -২
- সন্ন্যাসী এসে জগদীশবাবুর বাড়িতে ছিলেন – সাত দিন (৭ দিন)
- “বড় ভয় করতে লাগলো নদের চাঁদের” – ভয়ের কারণ — নদীর জলস্ফীতি
- “শোনা মাত্র অমৃত ফতোয়া জারি করে দিল” – ”ফতোয়া” শব্দের অর্থ – রায়
- “অভিষেক করিলা কুমারে” কিভাবে কুমারকে অভিষিক্ত করলেন? গঙ্গোদক দিয়ে
- ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ – কবিতায় ‘শকুন’ ও ‘চিল’ বলতে বোঝানো হয়েছে – সুযোগসন্ধানী মানুষকে
- ‘সিন্ধুতীরে’ পদ্যাংশটি যে কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, তা হল – পদ্মাবতী
- পরিভাষার উদ্দেশ্য হল – ভাষার সংক্ষেপ ও অর্থ সুনির্দিষ্ট করা
- ইংরেজিতে ভেবে বাংলায় অনুবাদ করলে রচনা হয় – উৎকট
- ‘স্টাইলাস’ আসলে কি? ব্রোঞ্জের শলাকা
- গিরিশ মহাপাত্রের চোখ দুটি ছিল – গভীর জলাশয়ের মত
- যে বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পরিভাষা সমিতি নিযুক্ত করেছিলেন, সেটি হল -১৯৩৬
- ‘বর্ম খুলে দেখো………..গায়ে’ —আদুড়(শূন্যস্থান)
- ‘প্রলয়োল্লাস’ শব্দের অর্থ হল – ধ্বংসের আনন্দ
- “কে বধিল কবে প্রিয়ানুজে” প্রিয়ানুজ হলেন – বীরবাহু
- ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি সৈয়দ আলাওলের যে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত – পদ্মাবতী
- স্টেশন থেকে নদীর উপরকার ব্রিজের দূরত্ব হল – এক মাইল
- হরিদার ঘরে যতজন আড্ডা দিত – চারজন
- ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম হল -ঝরনা কলম
- ‘অসুখী একজন’ – কবিতায় দেবতাদের চেহারা ছিল -শান্ত হলুদ
- ছোট মাসি তপনের থেকে যত বছরের বড় ছিল – আট বছর
- তপনের লেখা গল্পের নাম – প্রথম দিন
- বিরাগীর মতে পরম সুখ হল -সব সুখের বন্ধন থেকে মুক্ত করা
- নদের চাঁদ নদীকে দেখেনি – পাঁচ দিন
- ‘সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী’ – সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণীটি হল – ক্ষমা করো
- ‘বেথানিত হৈছে কেশ বেশ’ – ‘বেথানিত’ কথাটির অর্থ – অসংবৃত
- আমার শুধু একটা – কোকিল
- সাহিত্যিক শৈলজানন্দের সংগ্রহে ছিল -২৪টি কলম
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সমিতি গঠিত হয়েছিল – ১৯৩৬ সালে
- ‘অভিধা’ কি ধরনের অর্থ প্রকাশ করে? – আভিধানিক
- “লোকটি কাশিতে কাশিতে আসিল” লোকটির বয়স – ত্রিশ-বত্রিশ
- ‘অদল বদল’ গল্পটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন – অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত
- “……….খুব হয়েছে হরি,এবার সরে পড়ো।” – সেদিন হরি সেজেছিল – পাগল
- “উল্কা ছুটায় নীল খিলানে!” – “নীল খিলানে” বলতে বোঝানো হয়েছে -আকাশকে
- “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে” – যা ছড়ানো রয়েছে – শিশুদের শব
- “সিন্ধুতীরে” কাব্যাংশটি যে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত – পদ্মাবতী
- “নামটা রবীন্দ্রনাথের দেওয়াও হতে পারে” উদ্ধৃতাংশে যে নামের কথা বলা হয়েছে -ঝরনা কলম
- “অনেক ধরে ধরে টাইপ রাইটারে লিখে গেছেন মাত্র একজন।” তিনি হলেন – অন্নদাশঙ্কর রায়
- ‘Sensitized Paper’এর অনুবাদ যা লিখলে ঠিক হয় বলে প্রাবন্ধিক মনে করেছেন?সুগ্রাহী কাগজ
- “কোনদিন বাউল, কোনদিন – (কাপালিক)
- “এখন (রেঙ্গুন) থাকবে”
- “আমি তোরটা পরব,” – বক্তা হল – অমৃত
- “আমাদের শিশুদের শব” – ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে
- ‘সমুদ্র নৃপতি সুতা’ হল – পদ্মা
- ‘কঙ্কাবতী’র লেখক – ত্রৈলোক্যনাথ
- কলমে কায়স্থ চিনি, গোঁফেতে – রাজপুত
- ‘আমি তাকে কাকা বলি’ – উদ্ধৃত উক্তিটির কাকা হলেন – নিমাইবাবু
- ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে যে পত্রিকার নাম আছে তা হল – সন্ধ্যাতারা
- ‘কলমকে বলা হয়’ – কি বলা হয় – তলোয়ারের চেয়েও শক্তিধর
- “হিমালয় যেন পৃথিবীর মানদণ্ড” – উক্তিটি করেছেন – কালিদাস
- ক্ষুরের দাপটে তারায় লেগে উল্কা ছুটায় – নীল খিলানে
- ‘তোমায় নিয়ে বেড়াবে গান’ – কোথায় বেড়াবে? দেশে দেশে
- ‘বৃহন্নলারুপি কিরীটি’ হলেন – অর্জুন
- পদ্মা যার কাছে প্রার্থনা করেছিল -বিধির কাছে
- ‘সে ভয়ানক দুর্লভ জিনিস ‘এখানে দুর্লভ জিনিসটি হল- সন্ন্যাসীর পায়ের ধুলো
- স্ত্রীকে লেখা নদেরচাঁদের চিঠির পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল – ৫ (পাঁচ)
- ‘অদল -বদল’ গল্পে বাহালি বৌদি হলেন – অমৃত’র মা
- ‘উত্তরীলা বীরদর্পে অসুরারি রিপু’ – এখানে ‘অসুরারি রিপু’ হলেন – মেঘনাথ
- ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার উৎসগ্রন্থ – অগ্নিবীণা
- ‘Connotation’ শব্দের বাংলা অর্থ – অর্থব্যাপ্তি
- কঙ্কাবতী, ডমরুধর চরিত্রগুলির স্রষ্টা – ত্রৈলোক্যনাথ
- পালকের কলম এর ইংরেজি নাম – কুইল
- ‘সিন্ধুতীরে’ পদ্যাংশটি যে কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, সেটি হল -পদ্মাবতী
- শ্রীপান্থ ছদ্মনামে লিখেছেন – নিখিল সরকার
- গিরীশ মহাপাত্রের চুলে যে গন্ধ ছিল, তার কারণ -নেবুর তেল
- জগদীশবাবুর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল – ১১(এগারো লক্ষ টাকা)।
- ইসাবের বাবার নাম – হাসান
- ইন্দ্রজিতের কাছে ধাত্রীর ছদ্মবেশে এসেছিলেন – লক্ষ্মী
- কবি হলেও পাবলো নেরুদা ছিলেন – কুটনীতিক
- নদেরচাঁদ প্রতিদিন যেখানে বসে নদীকে দেখে – ব্রিজের স্তম্ভের শেষপ্রান্তে বসে
- ‘দোকানদার হেসে ফেলে হরির কান্ড’ – দোকানদার হরির যে সাজ দেখে হেসে ফেলেছিল সেটি হল – রূপসী বাইজির সাজ
- অমৃতর মা ঝামেলা থেকে বাঁচবার জন্য – জামা কেনার কথা বাবাকে বলতে বলেছিল
- এই সুখবরে তারা সব খুশি হয়ে গেল’ – ‘সুখবর’টি হল -লাথির চোটে অপূর্বর হাড়-পাঁজরা ভেঙে না যাওয়ার খবর শুনে
- ‘বাহুরক কন্যার জীবন’ – ‘বাহুরক’ শব্দের অর্থ – ফিরে আসুক
- রাবণ ইন্দ্রজিৎকে রামচন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধে করার সময় নির্দেশ করেছেন -প্রভাতে
- গুপ্তগহ্বর থেকে পশুরা বেরিয়ে এসে দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করল – অশুভ ধ্বনিতে
- লেখকের দেখা দারোগাবাবুর কলম গোঁজা ছিল – পায়ের মোজায়
- ‘বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে যত কম থাকে ততই ভালো’ – যা কম থাকলে ভালো হয় তা হল – অলংকার
- “এটা কি কান্ড করলেন হরিদা?” বক্তা হলেন – অনাদি।
- গিরিশ মহাপাত্রের মতে যা খন্ডানো যায় না – লল্লাটের লিখন
- ‘অদল বদল’ গল্পটি তরজমা করেছেন – নবারুণ ভট্টাচার্য
- “ব্রততী বাঁধিলে সাধে করি – পদ” – ‘ব্রততী’ কথার অর্থ – লতা
- ‘সুন্দরের আগমন’ যে বেশে হবে বলে কবির ধারণা -কাল-ভয়ংকর এর বেশে
- অচৈতন্য পদ্মাবতীর চেতনা ফিরে পাওয়ার জন্য যার কাছে কৃপা প্রার্থনা করা হয়েছিল – নিরঞ্জনের কাছে
- ‘সত্যজিৎ রায়ের অনেক সুস্থ সুন্দর নেশার একটি ছিল’ – লিপি শিল্প
- একসময় লেখা শুকোনো হতো যা দিয়ে – বালি দিয়ে
- প্রীতির সহিত যে ভাষার পদ্ধতি আয়ত্ত করতে হয় – মাতৃভাষার পদ্ধতি
- ‘হৈমবতীসুত’ বলতে যাকে বোঝানো হয়েছে, তিনি হলেন – কার্তিকেয়
- বর্বরদের নখ তীক্ষ্ণ- নেকড়ের মত
- “কন্যারে ফেলিল যথা” – এখানে ‘কন্যা’ হলো – পদ্মা
- কোন কাজ সমবেতভাবে না করলে নানা ত্রুটি হতে পারে – পরিভাষা রচনার কাজ
- অমৃত ও ইসাবের নতুন নামকরণ করেছিলেন -গ্রামপ্রধান
- নদেরচাঁদ নদীকে দেখেনি – পাঁচদিন
উপসংহার :
Madhyamik Bengali MCQ 2026 হলো মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষার জন্য সর্বোত্তম প্রস্তুতি মাধ্যম।
এই মডেল পেপার শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, সমাধান এবং প্রস্তুতির কৌশল শেখায়।
নিয়মিত Madhyamik Bengali MCQ 2026 অনুশীলন করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসী হতে পারে এবং উচ্চ ফলাফল অর্জন করতে পারে।
অতএব, Madhyamik Bengali MCQ 2026 শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য এবং ফলপ্রদ একটি সম্পদ।
—