প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় ✨প্রশ্ন : “ওখানে কী দেখছ মূর্খ, বিবেকের দিকে চেয়ে দ্যাখো!”- বক্তা কে? উদ্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি বক্তার মনোভাব ব্যক্ত করো ।
✨প্রশ্ন : “ওখানে কী দেখছ মূর্খ, বিবেকের দিকে চেয়ে দ্যাখো!”- বক্তা কে? উদ্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি বক্তার মনোভাব ব্যক্ত করো ।
📖 উত্তর :
আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ 🎭 শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত বিরোচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের সংকলিত একই শিরোনামীয় পাঠ্যাংশ থেকে আলোচ্যাংশটি গৃহীত ।
—
💫 বক্তার মনোভাব :
সিরাজের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রের আবহ রচিত হয়েছিল – তার অন্যতম স্রষ্টা ছিলেন 💀 ঘসেটি বেগম ।
মতিঝিলের রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র রচনা হওয়ায় নবাব সিরাজ ঘসেটিকে নিজ প্রাসাদে গৃহবন্দী করে রেখেছিলেন 🏰;
ঘসেটি ছিল সিরাজের নিকট মাতৃসমা 👩🦱💔 ।
পূর্ণিয়ার যুদ্ধে নিজ পালিত পুত্র শওকত জং এর মৃত্যুতে যন্ত্রণা দগ্ধ ঘসেটি তাই চেয়েছিলেন সিরাজের পতন 😔।
তাই সিরাজের প্রতি তার মনোভাব মোটেই শ্রদ্ধাভাজন বা মায়ামমতাপূর্ণ ছিল না 🚫❤️।
—
🔥 প্রতিহিংসা :
নিজ পুত্রের মৃত্যুতে দগ্ধ ঘসেটি সিরাজের পতন প্রার্থনা করতেন 😤।
আর প্রতিহিংসা বহিঃপ্রকাশ হয় এই মন্তব্যে –
> “আমার রাজ্য নাই, তাই আমার কাছে রাজনীতি ও নাই – আছে শুধু প্রতিহিংসা।” ⚔️
—
💰 ক্ষমতালোভ :
স্পষ্টতই ঘসেটি একজন ক্ষমতালিপ্সু সত্তা 👑।
তাই তিনি সিরাজকে বলেন –
> “অপরকে বঞ্চিত করে যে সিংহাসন পেয়েছে, সে সিংহাসন তোমাকে শান্তি দেবে ভেবেচ?” 😠
—
💀 অভিশম্পাতি :
নিজেকে অভাগী সর্বহারা ব্যক্ত করে ঘসেটি বেগম অকম্পিত কন্ঠে, সিরাজের নবাবির ওপর অভিশাপবাণী নিক্ষেপ করেন –
> “আমিনা কেঁদে কেঁদে অন্ধ হবে ! পলাশি প্রান্তরে কোলাহল ঝাঁপিয়ে উঠবে ক্রন্দনরোল ! সিরাজের নবাবির এই পরিণাম !” 😢⚡
—
💔 মাতৃত্ববিহীন ঘসেটি অনবরত সিরাজের ওপর অভিশাপ বর্ষণ করে তার নবাবির উৎখাতের স্বপ্ন দেখতেন।
তাই রুক্ষতার সহিত তিনি সিরাজকে বলেন –
> ✨ “ওখানে কি দেখছ মূর্খ, বিবেকের দিকে চেয়ে দ্যাখো !” ✨
—
🎯 সারসংক্ষেপে :
ঘসেটি বেগমের মনোভাব ছিল প্রতিহিংসাপরায়ণ, ক্ষমতা লিপ্সু ও অভিশাপপ্রবণ ⚡ — যেখানে মাতৃত্ব ম্লান হয়ে গেছে রাজনীতির আঁধারে 💥।
—