প্রিয় পাঠক পাঠিকা আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় ______“…তারা প্রায় সকলেই বুড়ো ঘোষালের কথায় সায় দিল।” -বুড়ো ঘোষাল কে ছিল? তার কথার যে নানারকম প্রতিক্রিয়া হয়েছিল নিজের ভাষায় লেখো।
“…তারা প্রায় সকলেই বুড়ো ঘোষালের কথায় সায় দিল।” -বুড়ো ঘোষাল কে ছিল? তার কথার যে নানারকম প্রতিক্রিয়া হয়েছিল নিজের ভাষায় লেখো।
🪶 উত্তর_____
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 📖 ‘হলুদ পোড়া’ গল্পের উল্লিখিত অংশে
বুড়ো ঘোষাল বলতে গ্রামের বয়স্ক মানুষ 👴 পঙ্কজ ঘোষালকে বোঝানো হয়েছে।
নবীনের স্ত্রী দামিনী যখন সন্ধ্যাবেলা 🌆 লণ্ঠন হাতে 🔥 রান্নাঘর থেকে উঠোন পার হয়ে শোওয়ার ঘরে যাচ্ছিল,
ঠিক সেই সময় খুব হালকা একটা দমকা বাতাস 🌬️ বাড়ির পুব কোণের তেঁতুল গাছের পাতা 🍃 ছুঁয়ে তার গায়ে এসে লাগে।
দামিনীর হাত থেকে লণ্ঠন ছিটকে গিয়ে পড়ে দক্ষিণের ঘরের বারান্দায় 🏠।
উঠোনে ছিটকে পড়ে হাত-পা ছুঁড়তে ছুঁড়তে দামিনী অজ্ঞান হয়ে যায় 😵💫।
শুভ্রার দাদা ধীরেন, যদিও পাস না করা ডাক্তার,
গ্রামের একমাত্র চিকিৎসা জানা মানুষ 👨⚕️ — তাকেই ডেকে আনা হয় দামিনীর চিকিৎসার জন্য।
কিন্তু দামিনীকে দেখে ধীরেন বলে যে,
সে চিকিৎসা করতে পারে বটে, কিন্তু যেহেতু সে পাস করা ডাক্তার নয়,
তাই দায়িত্ব নিতে ভরসা পাচ্ছে না 😔।
সে পরামর্শ দেয় — শা’পুরের কৈলাশ ডাক্তারকে ডাকতে 🚑।
—
এই সময়েই 🕰️ পঙ্কজ ঘোষাল মন্তব্য করে 👴 —
দামিনীর অসুখে ডাক্তারে কোনো লাভ হবে না ❌।
তিনি নবীনকে পরামর্শ দেন 👉 কুঞ্জ গুনিনকে অবিলম্বে ডেকে পাঠানোর জন্য 🧙♂️।
এ কথা শুনে সেখানে উপস্থিত গ্রামের লোকেরা ঘোষালকে সমর্থন করে 👏 —
অর্থাৎ “তারা প্রায় সকলেই বুড়ো ঘোষালের কথায় সায় দিল।” 💬
—
এরপর নবীন কুঞ্জর পারিশ্রমিকের খোঁজ নেয় 💰।
কিন্তু ধীরেন তীব্র আপত্তি জানায় 😠।
সে নবীনকে সচেতন করে দেয় ⚠️ যে,
একজন শিক্ষিত, জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হয়ে
কুঞ্জ গুনিনে ভরসা করা একেবারেই দুর্বুদ্ধি 🧠❌।
কিন্তু নবীন পালটা যুক্তি দেয় যে —
“খাপছাড়া অসুখে গুনিনদের চিকিৎসাতেই ভালো ফল পাওয়া যায়।” 🪶
শেষপর্যন্ত যদিও ধীরেনের যুক্তি ছিল শক্ত,
তবুও নবীন শেষমেশ দু’দিকই সামলায় —
সে কৈলাশ ডাক্তার এবং কুঞ্জ গুনিন — দুজনকেই আনতে লোক পাঠায় 🚶♂️📜।
—
✨ এইভাবে গল্পে দেখা যায় —
গ্রামের মানুষজনের মধ্যে এখনো অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের প্রভাব প্রবল 😶🌫️,
যেখানে পঙ্কজ ঘোষালের মতামতই হয়ে ওঠে সমষ্টিগত সত্য।
—