প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আজকের এই আর্টিকেলে আমাদের আলোচ্য বিষয় “‘প্রথম দিকে লীলাবতী বিদ্রোহী হয়েছিল ‘ লীলাবতী কে ? তার বিদ্রোহী হয়ে ওঠার কারণ কি ?”
অথবা _____‘প্রথম দিকে লীলাবতী বিদ্রোহী হয়েছিল’ ___’লীলাবতী কে ? তার বিদ্রোহের কারণ কি ? কিভাবে এই বিদ্রোহের পরিসমাপ্তি ঘটে ?
অথবা _____ ‘প্রথম দিকে লীলাবতী বিদ্রোহী হয়েছিল ‘ লীলাবতী কে ? সে বিদ্রোহী হয়েছিল কেন ? বক্তব্যটির অর্থ পরিস্ফুট করো ।
অথবা _____ ‘প্রথম দিকে লীলাবতী বিদ্রোহী হয়েছিল ‘ লীলাবতী কে ? তার বিদ্রোহী হয়ে ওঠার কারণ আলোচনা করো ।
অথবা _____“শরীরের নাম মহাশয় যা সহাবে তাই সয়” ক্ষিতীশ সিংহের এই উক্তিতে তার কীরূপ মানসিকতা ফুটে উঠেছে ?
অথবা _____ ‘শরীরের নাম মহাশয়’ _____ কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি ?
উৎস :
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে প্রদত্ত অংশটি গৃহীত হয়েছে ।
লীলাবতীর পরিচয় :
ক্ষিতীশ সিংহের স্ত্রী হলেন লীলাবতী ।
ক্ষিতীশের ঘোষণা :
স্বাস্থ্যসচেতন ক্ষিতীশ যেমন নিয়মিত শরীরচর্চায় জোর দিতেন , তেমনি খাদ্যাভাসে সংযম রাখাটাও জরুরী বলে মনে করতেন । তার মতে , রান্নায় যে অতিরিক্ত তেল – মশলা ব্যবহার করা হয় , তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক । তাতে পেটের ভয়ংকর সর্বনাশ হয় এবং শরীরে প্রয়োজনীয় বল পাওয়া যায়না ।
লীলাবতীর বিদ্রোহ :
খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে লীলাবতী ক্ষিতীশের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করতে থাকেন , এমনকি তিন দিন না খেয়েও থাকেন ।
বিদ্রোহের ফলাফল :
স্ত্রীর এই অনশনেও ক্ষিতীশ নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন । তিনি বলতে থাকেন , ‘শরীরের নাম মহাশয় , যা সহাবে তাই সয় ‘ । যদিও নাছোড়বান্দা স্ত্রীকে শেষ পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন সর্ষেবাটা করা লংকাবাটাসহ তেল-মশলা ব্যবহারের অনুমতি দিলে , লীলাবতী বিদ্রোহে ইতি টানেন ।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময় নিয়ে আর্টিকেলটা পড়ার জন্য । আপনার দিন শুভ হোক ।